স্টেইনলেস স্টিল রপ্তানিতে রয়েছে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা আপডেট: ০৪:১৩, ১৭ জুলাই ২০১৭

বিশেষ প্রতিবেদন: দেশে উৎপাদিত স্টেইনলেস স্টিল অভ্যন্তরীণ চাহিদা ভালোভাবে পূরণ করতে পারে। তবে, স্টিল শিট রপ্তানি হয় না। কিন্তু রপ্তানী হয় দেশে উৎপাদিত স্টিল দিয়ে তৈরি বিভিন্ন ধরণের সামগ্রী। সেটাও সীমিত আকারে। এই শিল্পে কর সংক্রান্ত নানান ভোগান্তির অভিযোগ রয়েছে উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে।

একটা সময় ছিলো যখন গৃহস্থালির রান্নার কাজে ব্যবহৃত হতো লোহার কড়াই, খুন্তি, দা, বঁটি, ছুঁরি। সেই কাজের বেশিরভাগটাই করতেন কামাররা। কামারের হাপড়ের সেই টানও শহরে এখন আর নেই বললেই চলে। 

লোহার সামগ্রীর স্থান দখল করেছে স্টেইনলেস স্টিল। লোহার জায়গায় এসেছে স্টিলের ছুরি, কাঁচি এবং তৈজসপত্র। এ ব্যাপারে উদ্যোক্তাদের সাথে কথা বললে তাঁরা জানান, দেশে উৎপাদনের শুরুতে কোরিয়া ও তাইওয়ান থেকে প্রশিক্ষক এনে স্থানীয়দের দক্ষ করতে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এখন প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা পারদর্শী হয়ে অন্যদের কাজ শেখাচ্ছেন।

দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদিত কিছু স্টিল পণ্য রপ্তানি করা হচ্ছে ভারত, ইতালি, ঘানা, তুর্কি, সাউথ আফ্রিকা এবং ইউরোপের অল্প কিছু দেশে। এক্ষেত্রে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার অভিযোগ রয়েছে, যে কারণে সুযোগ থাকলেও রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। 

সানজি গ্রুপ অব কোম্পানির প্রধান নির্বাহী এস. এম. জাহাঙ্গির আলম মনে করেন, ট্যাক্স রহিতকরণসহ আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসনে প্রয়োজন সরকারের বিশেষ নজরদারি। তবেই রপ্তানি বাণিজ্যের বিস্তৃতি ঘটবে।

স্টিল শিল্পের উদ্যোক্তারা জানান, শিল্পনীতি অনুসারে প্রত্যেকটি শিল্পের মৌলিক কাঁচামালের শুল্ক হার ৫ শতাংশ। কিন্তু স্টেইনলেস স্টিলের পাইপ উৎপাদনের মৌলিক কাঁচামালের শুল্কহার ১০ শতাংশ। এর সাথে ১৫ শতাংশ ভ্যাটসহ আরো কিছু কর যুক্ত হয়ে মোট প্রায় ৩৮ শতাংশ আমদানি ব্যয় বাড়ে।

আরো পড়ুন:

অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য তৈরি হচ্ছে স্টেইনলেস স্টিল

ব্যয়বহুল হলেও বেড়ে চলেছে স্টেইনলেস স্টিলের ব্যবহার

 

Publisher : Jyotirmoy Nandy