ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৭ ফাল্গুন ১৪২৫

2019-02-19

, ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪০

হালাল পর্যটন: অপার সম্ভাবনা বাংলাদেশে

প্রকাশিত: ০৫:০৮ , ১৩ জুলাই ২০১৭ আপডেট: ০৫:০৮ , ১৩ জুলাই ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বজুড়ে বাড়ছে মুসলিম পর্যটকের সংখ্যা। ২০১৫ সালে এ খাতে আয় ১১ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। কেবল মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম পর্যটকরা বছরে অন্তত ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছে বিশ্বভ্রমণে। মুসলিম পর্যটকদের আকর্ষণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ হালাল ট্যুরিজমের দিকে মনোযোগী হলেও, বাংলাদেশের তেমন প্রস্তুতি নেই।

হালাল ও ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে মুসলিম পর্যটকরা পর্যটন এলাকা ঘুরে দেখতে পারে, এমন আয়োজনের ভাবনা থেকেই হালাল বা মুসলিম ফ্রেন্ডলি ট্যুরিজমের যাত্রা। বিশেষ করে গত কয়েক বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর পর্যটকদের টার্গেট করে হালাল ট্যুরিজমের আয়োজন করছে অনেক দেশ। মালয়েশিয়া এমনকি থাইল্যান্ড এরই মধ্যে হালাল ট্যুরিজমের বড় কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশও।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মুসলিম প্রধান দেশ হিসেবে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বাংলাদেশে হালাল পর্যটনের যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে। এটি হলে নতুন এই হালাল পর্যটন খাতটি থেকে আসা আয়ে দেশের অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করা সম্ভব হবে।

বেসরকারি ট্যুর অপারেটর মাসুদ হোসেন বলেন, ‘ হালাল পর্যটন বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে এ ধরনের আয়োজন আমরা করতে চাই। মুসলিম দেশের মানুষেরা আমাদের কাস্টমার। আজকে শুরু করলে হয়তো পাঁচ বছর পর আমি তাদের কাছ থেকে রেজাল্টটা পাবো।’

আরেক বেসরকারি ট্যুর অপারেটর সৈয়দ গোলাম কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশতো খাদ্যের ব্যাপারে হালালের সমস্যাটি নেই। তবে মহিলাদের ব্যাপারে বিশেষ ব্যবস্থা আছে কি না, নামাজ পড়ার জন্য যথাযথ আয়োজন আছে কি না, তা নিশ্চিত করে প্যাকেজ ওই ভাবে তৈরি করতে হবে।’

এব্যপারে দি মনিটরের সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল হক বলেন, ‘প্রথম যে জিনিসটা আমাদের করতে হবে একটা এক্রিডিটেশন বোর্ড তৈরী করতে হবে উইথ রিপ্রেজেন্টেশন ফ্রম অল সেকশান।’

মুসলিম অর্থনৈতিক খাত সংক্রান্ত মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা-সালাম স্ট্যান্ডার্ডের সমীক্ষায় বলা হয়েছে- ২০১৫ সালে বিশ্বে মুসলিম ট্যুরিজম খাতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ১১ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম পর্যটকদের বাংলাদেশে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানালেন পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।

তিনি বলেন, ‘ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা-ওআইসি’র প্রতিনিধিদের মধ্যে এশিয়ান ইসলামিক ট্যুরিজমের ব্যাপারে আলাপ করা সময় হালাল ট্যুরিজম নিয়ে কথা হয়েছে। বাংলাদেশে হালাল ট্যুরিজম নিয়ে আলাদা করে কোনো ব্যাবস্থা করতে হবে না, সবটাই হালাল হবে। তারপরেও যদি বিশেষ ভাবে কিছু করতে হয় তাহলে আমরা তা করবো।’

সমীক্ষায় আরো বলা হয়েছে, মুসলিম পর্যটন খাতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আগামী দুই তিন বছরে দ্বিগুণ করা সম্ভব। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় প্রচার প্রচারণা আরও বাড়িয়ে বাংলাদেশও এই সুযোগ নিতে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

এই বিভাগের আরো খবর

প্রকৃতির নিস্বর্গ শিলং

ডেস্ক প্রতিবেদন: শিলং উত্তর-পূর্ব ভারতের মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪ হাজার ৯০৮ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত শিলং-এ প্রচুর বৃষ্টিপাত...

অবসরে ঘুরে আসুন জিন্দা পার্ক

ডেস্ক প্রতিবেদন: নগর জীবনের যান্ত্রিক কোলাহল ছেড়ে একটুখানি শান্তির পরস পেতে কার  না মনে চায়। আর তাই একটুখানি শান্তির ছোঁয়া পেতে অবসরে...

মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স 

ডেস্ক প্রতিবেদন: মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স বান্দরবান জেলার প্রবেশ পথে বান্দরবান-কেরাণীহাট সড়কের পাশে পার্বত্য জেলা পরিষদ সংলগ্ন এলাকায়...

বান্দরবানের অন্যতম আকর্ষণ বগালেক

ভ্রমণ ডেস্ক: বগাকাইন লেক বা বগালেক বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলা থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরে কেওক্রাডং পাহাড়ের কোল ঘেসে সমুদ্রপৃষ্ট থেকে প্রায়...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is