দূষণ ঠেকাতে দেশের ৫২টি স্থানকে হটস্পট চিহ্নিত

প্রকাশিত: ০৫:২৬, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

আপডেট: ০৫:২৬, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে পর্যটনের সকল উপাদান রয়েছে, যা প্রচার করার সময় এসেছে বলে জানিয়েছেন পর্যটন বিশেষজ্ঞরা। আজ  রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টুরিজম বোর্ড আয়োজিত ভার্চুয়াল সভায় এমনটা জানান তারা।

ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে আয়োজিত পর্যটন দিবসে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন জানান, দেশের পর্যটন শিল্প এখন সমুদ্রের তলদেশে থাকা জীব বৈচিত্র্যের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতে বেঁচে থাকার জন্য পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে। ভালোভাবে বেঁচে থাকতে পরিবেশকে গুরুত্ব দিয়েছে উন্নত দেশগুলো। সারাবিশ্বে ইকো টুরিজম এনভায়রনমেন্ট টুরিজমকে ব্র্যান্ডিং করা হচ্ছে। আমাদেরকেও তাই করতে হবে। ইকো টুরিজমের নীতি হলো প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ করে টুরিজম করা। পরিবেশকে ঘিরে টুরিজম হলে তা হবে টেকসই ও সুদুর প্রসারী। সেদিক বিবেচনা করে সমূদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় পরিবেশ সুরক্ষার জন্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সেন্টমার্টিন দ্বীপ, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত এবং সুন্দরবনকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করেছে। এসব এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমসহ পরিবেশ সংরক্ষণে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকার ঘোষিত ইসিএ যথাযথভাবে কার্যকরের মাধ্যমে এ সকল এলাকার জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।

এছাড়া উপকূলের দূষণ প্রতিরোধে ৫২টি স্থানকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে দূষণ প্রতিরোধে কাজ করা হচ্ছে। সমূদ্রের বায়োডাইভার্সিটি অ্যাসেসমেন্টের জন্যও প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।’

মন্ত্রী আরো বলেন,বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ভবিষ্যতে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে যুগান্তকারী ১০০ বছরের ডেল্টা প্লান বাস্তবায়ন করছে। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ পূর্বক আমাদের পর্যটন করতে হবে বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, সমুদ্র উপকূল সেন্ট মার্টিন, কক্সবাজার মেরিনড্রাইভ এবং সুন্দরবনকে ইকোলজিক্যাল ক্রিটিক্যাল এরিয়া ইসিএ ঘোষণা করা হয়েছে। ইসিএ যথাযথভাবে কার্যকরের মাধ্যমে এসকল এলাকায় পানির নিচের কোরাল জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। সামুদ্রিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে সরকার দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে ১ হাজার ৭ শত ৩৮ বর্গ কিলোমিটার এলাকা মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া হিসেবে ঘোষণা করেছে। ফলে বিভিন্ন প্রজাতির বিপন্ন সামুদ্রিক ডলফিন, তিমি এবং হাঙ্গর এর সংরক্ষণ ও বংশ বৃদ্ধিতে সহায়ক হচ্ছে।’

এছাড়া সেন্টমার্টিন দ্বীপ সংলগ্ন ১ হাজার ৭ শত ৪৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকার জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করার লক্ষ্যে মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া হিসেবে ঘোষণা করার কার্যক্রম চলমান আছে। বঙ্গোপসাগরে জলজ সার্বিক জীববৈচিত্র্য বিশেষ করে ডলফিন সংরক্ষণের টেকসই ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

অনলাইন এক্সিবিশনে সাগরের জীববৈচিত্র সংরক্ষণ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিকারী সংগঠন ’সেভ আওয়ার সি’ এর উদ্যোগে দেশে এবং বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডুবুরিদের পানির নিচের সৌন্দর্যের স্থির ও ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

এই বিভাগের আরো খবর

সেন্টমার্টিনে আটকা পড়েছে ৫ শতাধিক পর্যটক

কক্সবাজার সংবাদদাতা: বঙ্গোপসাগরে...

বিস্তারিত
নোয়াখালীতে মা-কে হত্যার রহস্য উদঘাটন

নোয়াখালী সংবাদদাতা: নোয়াখালীর...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *