সাহেদের পালিয়ে বেড়ানোর কৌশল !

প্রকাশিত: ০৫:৫৫, ১৫ জুলাই ২০২০

আপডেট: ১০:২৮, ১৫ জুলাই ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদের বিরুদ্ধে করোনা পরীক্ষায় প্রতারণার অভিযোগ ওঠার পর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলো বলে জানিয়েছেন, র‌্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। আজ (বুধবার) বিকেলে র‌্যাবের প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি।

বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন ব্যবহার করে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় সাহেদ পালিয়ে বেরিয়েছেন বলেও জানান র‌্যাব প্রধান। পরে সাতক্ষীরা থেকে আজ সকালে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার সাহেদকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রতারণাসহ নানা অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ৫৯টি মামলা রয়েছে। 

র‌্যাব প্রধান বলেন, প্রতারণার অভিযোগে রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদ করিমসহ প্রতিষ্ঠানের ১৭ জনের বিরুদ্ধে র‌্যাব বাদী হয়ে যে মামলাটি দায়ের হয়েছিল, সেটি বর্তমানে ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত করছে। আমরা গ্রেফতার সাহেদ করিমকে সেখানেই হস্তান্তর করব।

সাতক্ষীরা থেকে আটক করে ঢাকায় আনার পর সাহেদ ও তার সঙ্গী গ্রেফতারকৃত মাসুদকে নিয়ে উত্তরার অপর একটি কার্যালয়ে অভিযানে যায় র‌্যাব। সেখানে অভিযান চালিয়ে এক লাখ ৪৬ হাজার টাকার জালনোট উদ্ধার করেছে র‌্যাব। এছাড়া সাহেদ বালু ব্যবসায়ী, পাথর ব্যবসায়ী ও রিকশা চালকদের ভুয়া লাইসেন্স দিয়েও প্রতারণা করে আসছিলেন। সাহেদ দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সুকৌশলে ছবি তুলে বিভিন্ন প্রতারণার কাজে ব্যবহার করতেন।

র‌্যাব প্রধান বলেন, গ্রেফতার সাহেদ নিজেকে সুশীল ও ক্লিন ইমেজের ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করলেও প্রকৃতপক্ষে তিনি চতুর, ধুরন্ধর লোক। সাহেদ এমএলএম কোম্পানির নামে প্রতারণার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় অনেক মামলা রয়েছে। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেখছি তার বিরুদ্ধে অর্ধশত মামলা থাকার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। সেগুলো যাচাই বাছাই করে দেখছি।

তিনি বলেন, সম্প্রতি গ্রেফতার সাহেদ রিজেন্ট হাসপাতালে করোনা পরীক্ষার নামে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে যে পরিমাণে প্রতারণার মামলা রয়েছে, তা থেকে বোঝা যায় তিনি কী ধরণের প্রতারক।

র‌্যাব প্রধান বলেন, গ্রেফতার এড়াতে সাহেদ বিভিন্ন সময় ঢাকা ছেড়েছেন এবং আবার ঢাকায় এসেছেন। এক্ষেত্রে তিনি নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি, পাবলিক পরিবহন এমনকি ট্রাকে করেও বিভিন্ন স্থানে গিয়েছেন। তিনি একেক সময় একেক ধরনের যানবাহন ব্যবহার করেছেন। সর্বশেষ সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকায় নৌকা দিয়ে পার হওয়ার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়।
 

এই বিভাগের আরো খবর

চসিক প্রশাসককে সহযোগিতার আশ্বাস আ.জ.ম নাছিরের

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা: চট্টগ্রাম সিটি...

বিস্তারিত
সাবরিনাসহ ৬ জনকে আসামি করে চার্জশিট কাল 

নিজস্ব প্রতিবেদক: জেকেজি চেয়ারম্যান...

বিস্তারিত
পাপিয়া ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক: যুব মহিলা লীগের...

বিস্তারিত
রাজধানীতে বৃষ্টি, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সংকেত

মাবুদ আজমী: কয়েক দিনের ভ্যাপসা গরমের...

বিস্তারিত
করোনাকালেও জুলাইয়ে রেমিট্যান্সের রেকর্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা ভাইরাসের...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *