পাটকল শ্রমিকদের জন্য ৫৮ কোটি টাকা বরাদ্দ

প্রকাশিত: ০৮:৩১, ০৫ জুলাই ২০২০

আপডেট: ০৮:৩১, ০৫ জুলাই ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক:  বন্ধ হয়ে যাওয়া রাষ্ট্রায়ত্ত্ব পাটকলগুলোর শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধের জন্য ৫৮ কোটি টাকার বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। আজ রোববার (০৫ জুলাই) মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অর্থ মন্ত্রণালয় অর্থ বরাদ্দ প্রদান করেছে। বরাদ্দকৃত অর্থ শ্রমিকদের নিজ নিজ অ্যাকাউন্টে চেকের মাধ্যমে দেয়া হবে।

বস্ত্র পাট মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) নিয়ন্ত্রণাধীন আলিম জুট মিল বাদে অন্য পাটকলসমূহের শ্রমিকদের জাতীয় মজুরি স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী গত জুন মাসের চার সপ্তাহের বকেয়া মজুরি পরিশোধের জন্য এ বরাদ্দ।

বস্ত্র পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী গত শুক্রবার (০৩ জুলাই) সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, মজুরি কমিশন-২০১৫ অনুযায়ী পাটকল শ্রমিকদের জুনের মজুরি আগামী সপ্তাহে তাদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হবে। সে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অর্থ ছাড় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বস্ত্র পাট মন্ত্রণালয়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দপত্রে জানানো হয়, অর্থ মন্ত্রণালয়পরিচালন ঋণ বাঅপারেশন লোনহিসেবে টাকা বরাদ্দ দেয়। বরাদ্দকৃত অর্থ ২০১৯-২০ অর্থবছরের বিজেএমসি মিলগুলোর শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ব্যতীত অন্য কোনো খাতে ব্যয় করা যাবে না।

বিজেএমসির প্রত্যেক শ্রমিকের সুনির্দিষ্ট ব্যাংকে অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে টাকা পরিশোষধ করতে হবে।

বরাদ্দকৃত অর্থ বিজেএমসির অনুকূলেপরিচালন ঋণবাঅপারেশন লোনহিসেবে গণ্য হবে, যা আগামী ২০ বছরে শতাংশ সুদে ষাণ্মাসিক কিস্তিতে অর্থ পরিশোধ করতে হবে। জন্য অর্থ বিভাগের সঙ্গে বিজেএমসিকে একটি ঋণ চুক্তি সম্পাদন করতে হবে।

চিঠিতে বিশেষভাবে বলা হয়েছে, বরাদ্দ দেয়া অর্থ কেবল শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি খাত ব্যতীত অন্য কোনো খাতে ব্যয় করা যাবে না। বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ে সরকারের বিদ্যমান বিধি-বিধান অনুসরণ করতে হবে। বিধিবহির্ভূতভাবে কোনো অর্থ পরিশোধ করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা দায়ী থাকবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পাটকল শ্রমিকদের নোটিশ মেয়াদের অর্থাৎ জুলাই-আগস্টের ৬০ দিনের মজুরিও উভয় মাসে যথারীতি পরিশোধ করা হবে। পিএফ, গ্র্যাচুইটি গোল্ডেন হ্যান্ডশেক সুবিধাসহ অবশিষ্ট সব পাওনার ৫০ শতাংশ স্ব-স্ব ব্যাংক হিসাবে এবং বাকি ৫০ শতাংশ স্ব-স্ব নামে সঞ্চয়পত্র আকারে সেপ্টেম্বরের মধ্যে পরিশোধ করা হবে। সব ক্ষেত্রেই মজুরি কমিশন-২০১৫ এর ভিত্তিতেই পাওনা হিসাব করা হবে।

২০১৪ সাল থেকে অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকদের (,৯৫৪ জন) প্রাপ্য সব বকেয়া, বর্তমানে কর্মরত শ্রমিকদের (২৪,৮৮৬ জন) প্রাপ্য বকেয়া মজুরি, শ্রমিকদের পিএফ জমা, গ্র্যাচুইটি এবং সে সঙ্গে গ্র্যাচুইটির সর্বোচ্চ ২৭ শতাংশ হারে অবসায়ন সুবিধা একসঙ্গে শতভাগ পরিশোধ করা হবে। এজন্য সরকারি বাজেট থেকে প্রায় হাজার কোটি টাকা প্রদান করা হবে।

অবসায়নের পর মিলগুলো সরকারি নিয়ন্ত্রণে পিপিপি বা যৌথ উদ্যোগ অথবা জি টু জি কিংবা লিজ মডেলে পরিচালনার উদ্যোগ নেয়া হবে। নতুন মডেলে পুনঃচালুকৃত মিলে অবসায়নকৃত বর্তমান শ্রমিকরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজের সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে এসব মিলে নতুন কর্মসংস্থানেরও সৃষ্টি হবে। সব শ্রমিককে অবশ্যই পুনর্বাসন করা হবে।

এই বিভাগের আরো খবর

স্বাভাবিক হচ্ছে ফেরি ঘাটের পরিস্থিতি

ডেস্ক প্রতিবেদন : পদ্মার তীব্র স্রোতে...

বিস্তারিত
এস এম সুলতানের ৯৬তম জন্মবার্ষিকী আজ

নড়াইল সংবাদদাতা: বরেণ্য চিত্রশিল্পী...

বিস্তারিত
রংপুরে নৈশ প্রহরীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

রংপুর সংবাদদাতা: রংপুরের মিঠাপুকুরে...

বিস্তারিত
আজও ব্যাহত ফেরি চলাচল

ডেস্ক প্রতিবেদন: পদ্মায় তীব্র স্রোত ও...

বিস্তারিত
ফরিদপুরে মিশ্র ফল বাগানে সাফল্য

ফরিদপুর সংবাদদাতা: নিরাপদ ও বিষ মুক্ত...

বিস্তারিত
ময়মনসিংহে নষ্ট হচ্ছে অর্ধশত বিআরটিসি বাস

ময়মনসিংহ সংবাদদাতা: করোনা সংক্রমণ...

বিস্তারিত
ময়মনসিংহে সড়কে প্রাণ গেলাে ৭ জনের

নিজস্ব সংবাদদাতা: ময়মনসিংহের...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *