৬-দফা তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে : রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত: ১২:০১, ০৭ জুন ২০২০

আপডেট: ১০:৩৬, ০৭ জুন ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬-দফা দাবি থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশের তরুণ প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে। ‘ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস’ উপলক্ষ্যে এক বাণীতে এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, “ঐতিহাসিক ৬-দফা কেবল বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ নয়, সারা-বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষের মুক্তি আন্দোলনের অনুপ্রেরণারও উৎস। তরুণ প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর ৬-দফার দাবি থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে বলে আমার বিশ^াস। বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে চেয়েছিলেন। তাঁর সে স্বপ্ন পূরণে তথা সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে আমি সকলের প্রতি আহ্বান জানাই।”

“বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম ও স্বাধীনতার ইতিহাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ৬-দফা অন্যতম মাইলফলক। ঐতিহাসিক এ দিনে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি ৬-দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য যাঁরা জীবন দিয়েছেন তাঁদের স্মৃতির প্রতি জানাই বিন¤্র শ্রদ্ধা।”

“বাঙালির স্বাধীনতা একদিনে অর্জিত হয়নি। ১৯৪৮ সালে বাংলাভাষার দাবিতে যে আন্দোলনের সূত্রপাত হয়, ’৫২’র ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তার সফল পরিসমাপ্তি ঘটে। রচিত হয় বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।”

“এরপর ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠন,১৯৫৮ সালে সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ১৯৬২ সালে শিক্ষা কমিশন আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বাঙালির স্বায়ত্বশাসনের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬ সালে লাহোরে সর্বদলীয় এক সম্মেলনে ঐতিহাসিক ৬-দফা প্রস্তাব পেশ করেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।”

“শাসনতান্ত্রিক কাঠামো, কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা, মুদ্রানীতি,রাজস্ব ও করনীতি, বৈদেশিক বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক বাহিনী গঠন এই ৬-দফা প্রস্তাব পেশের মধ্যদিয়েই তিনি (বঙ্গবন্ধু) পূর্ব বাংলার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক স্বার্থকে তুলে ধরেন, যার মধ্যে নিহিত ছিল বাঙালির স্বাধিকার ও স্বায়ত্বশাসনের রূপরেখা।”

“ঐতিহাসিক ৬-দফা ঘোষণার পর শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুকে বারবার গ্রেফতার করে এবং তাঁর উপর অমানবিক নির্যাতন চালায়। তা সত্ত্বেও তিনি (বঙ্গবন্ধু) ৬-দফার দাবি থেকে পিছপা হননি। তাঁর নেতৃত্বে দাবি আদায়ের আন্দোলন বেগবান হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যে এ আন্দোলন সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে।”

“৬-দফার আন্দোলন স্তিমিত করতে শাসকগোষ্ঠি গ্রেফতার, নির্যাতনসহ কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। ১৯৬৬ সালের ৭ জুন ৬-দফা দাবির সমর্থনে আওয়ামী লীগের আহ্বানে প্রদেশব্যাপি (তৎকালিন পূর্বপকিস্তান) সাধারণ ধর্মঘট চলাকালে পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর মদদে পুলিশের গুলিতে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে ১১ ব্যক্তি নিহত এবং অনেকে আহত ও গ্রেফতার হন।”
 

এই বিভাগের আরো খবর

ভূতুড়ে বিল : ডিপিডিসির চার কর্মকর্তা বরখাস্ত

নিজস্ব সংবাদদাতা: বিদ্যুতের ভূতুড়ে...

বিস্তারিত
২০০ শিক্ষার্থীর সার্টিফিকেট নষ্ট!

আশিক মাহমুদ: দুইশ’ শিক্ষার্থীর...

বিস্তারিত
২৬০০ মরদেহ দাফন ও সৎকার করেছে স্বেচ্ছাসেবীরা

তারেক সিকদার: করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত...

বিস্তারিত
গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ২৯, শনাক্ত ৩২৮৮ 

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাণঘাতী...

বিস্তারিত
ভাড়াটিয়াদের সাথে অমানবিক আচরণ করবেন না

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভাড়াটিয়া ও মেসে...

বিস্তারিত
করোনা পরীক্ষার ফি বাতিলের দাবি বিএনপির

নিজস্ব প্রতিবেদক: অবিলম্বে করোনা...

বিস্তারিত
কুষ্টিয়ায় ছুরিকাঘাতে কিশোর খুন

কুষ্টিয়া সংবাদদাতা: কুষ্টিয়ায় ফুটবল...

বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা লকডাউন

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা : করোনা ভাইরাসের...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *