আম্ফানে পৌনে ২ লাখ হেক্টর ফসলের ক্ষতি

প্রকাশিত: ০৭:২৭, ২১ মে ২০২০

আপডেট: ০৭:২৭, ২১ মে ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আমফানের তান্ডবে দেশে লাখ ৭৬ হাজার হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী . মো. আব্দুর রাজ্জাক। আজ (বৃহস্পতিবার) ঘূর্ণিঝড় আম্ফান পরবর্তী কৃষির ক্ষয়ক্ষতি বিষয়ে অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে তিনি তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, আমরা গত ১৫ মে জানতে পারি যে, ঘূর্ণিঝড় আসবে। তাই আমরা প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পেরেছিলাম। ইতিমধ্যে অধিকাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। তাই ক্ষতির পরিমাণটা অনেকাংশে কম হয়েছে। এরপরও দেশের ৪৬ জেলায় এক লাখ ৭৬ হাজার হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এসব জমিতে থাকা বিভিন্ন ফসলের থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতি হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ে আম, লিচু সবজির বেশি ক্ষতি হয়েছে এবং বোরো ধানের সামান্য ক্ষতি হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন বন্যা, খড়া, ঘূর্ণিঝড়সহ যেকোনো প্রাকৃতিক দুযোৃগে কৃষিই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তবে আগাম তথ্য পাওয়ায় কৃষকরা দ্রুত ফসল ঘরে তুলতে পেরেছেন। তাই আম্ফানের কারণে কৃষিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়নি। ইতোমধ্যে হাওরের শতভাগ ধান কাটা হয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলের ১৭টি জেলার শতকরা ৯৬ ভাগসহ সারাদেশে ইতোমধ্যে ৭২ শতাংশ বোরো ধান কাটা হয়েছে। খুলনা অঞ্চলে প্রায় ৯৬ থেকে ৯৭ ভাগ ধান কাটা হয়েছে। সাতক্ষীরায়ও ৯০ ভাগের বেশি ধান কাটা হয়েছে।

পটুয়াখালী ৩২০০ হেক্টর জমিতে ধান হয়। এরমধ্যে ২৭০০ হেক্টরের ফসল ঘরে তোলা শেষ। এছাড়া ওই এলাকায় প্রায় দেড় লাখ হেক্টর জমিতে মুগডাল আবাদ হয়। পটুয়াখালীর সব ডাল ঘরে তোলা সম্ভব হয়েছে। ভোলাতে কিছু পরিমাণ ধানের ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষতি সবচেয়ে বেশি হয়েছে আমের। সাতক্ষীরায় চার হাজার হেক্টর জমির বাগানে আম হয়। এরমধ্যে ঝড়ে তিন হাজার হেক্টর জমির আম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব আম স্থানীয়দের ত্রাণ হিসেবে দেওয়া যায় কি-না, সে বিষয়ে চিন্তা করা হচ্ছে।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমের মধ্যে সাতক্ষীরা জেলার আমগুলো একটু বেশি ক্ষতি হয়েছে। সাতক্ষীরার ৬০ থেকে ৭০ ভাগ আম নষ্ট হয়ে গেছে। ওই এলাকার চার হাজার হেক্টর জমির আমের মধ্যে ইতোমধ্যে এক হাজার হেক্টরের আম নামিয়ে নিয়েছে। বাকি তিন হাজার হেক্টরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জন্য আমরা ত্রাণ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করেছি যে, আমগুলো কিনে আমরা ত্রাণের মাধ্যমে দিতে পারি কি-না।

বিভিন্ন ফসলের শতকরা হার তুলে ধরে তিনি বলেন, ৪৭ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধানের ক্ষতি হয়েছে শতকরা ১০ ভাগ। তিন হাজার ২৮৪ হেক্টর জমির ভুট্টার ক্ষতি হয়েছে পাঁচ শতাংশ। ৩৪ হাজার ১৩৯ হেক্টর জমির পাটের ক্ষতি হয়েছে শতকরা পাঁচ ভাগ। এছাড়া পানের ক্ষতি হয়েছে গড়ে শতকরা ১৫ ভাগ। কোনো কোনো এলাকায় ক্ষতি বেশি হয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর

কুষ্টিয়ার চাষযোগ্য সব জমি আবাদের উদ্যােগ

কুষ্টিয়া সংবাদদাতা: চাষযোগ্য সবটুকু...

বিস্তারিত
করোনায় চিকিৎসক এহসানুল করিমের মৃত্যু

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক: চট্টগ্রামে...

বিস্তারিত
চকরিয়ায় বৃদ্ধকে নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেফতার ৩

অনলাইন ডেস্ক: কক্সবাজারের চকরিয়ায় এক...

বিস্তারিত
সব উপজেলায় টিসিবির পণ্য বিক্রয়ের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী এক সপ্তাহের...

বিস্তারিত
আরও ১১ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক: কোভিড-১৯ এর কারণে...

বিস্তারিত
জঙ্গি বিমানের মহড়া এলাকায় সতর্কতা

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামীকাল ০৩ জুন...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *