করোনা সংক্রমণের ‘পিক টাইম’ আসছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৩:৪৭, ২১ মে ২০২০

আপডেট: ১০:০৬, ২১ মে ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) সংক্রমণ চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে যাচ্ছে বলে সতর্ক করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ (বৃহস্পতিবার) সচিবালয়ে বাংলাদেশে প্রস্তুতকৃত করোনার আপৎকালীন ওষুধরেমডেসিভিরগ্রহণকালে কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, আমরা করোনা সংক্রমণের ৭০ দিন পার করেছি। আমি মনে করি, আমরা পিক-টাইমের দিকে যাচ্ছি। দৈনিক শনাক্তের হার কমতে শুরু করলে বলতে পারবো যে পিকে পৌঁছে গেছি। এখন সংক্রমণ বাড়ছে। তারপরও আমি মনে করি, তা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে না, ঠিকই আছে।

করোনা রোগীদের চিকিৎসার প্রসঙ্গে জাহিদ মালেক বলেন, আমরা কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছি। বাংলাদেশে প্রতিনিয়তই রোগী বাড়ছে। তুলনামূলকভাবে আমরা অন্য দেশের তুলনায় এখনও ভালো আছি। প্রধানমন্ত্রী প্রতিনিয়তই বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন, পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে দ্রুত তৎপর হতে হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা বিভিন্ন হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে দেখেছি, যেখানেই দেরি হয়েছে সেখানেই রোগী বাঁচানো কষ্ট হয়েছে। দেরিতে হাসপাতালে নেওয়াটা খুবই ক্ষতিকর। সমস্যা সমাধানে সারাদেশে ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতাল করেছি। আমাদের কমিটমেন্ট ছিল, মে মাসে প্রতিদিন ১০ হাজার টেস্ট করার, দুদিন আগেই সেটা হয়ে গেছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে আইসোলেশনে বর্তমানে সাড়ে হাজারের মতো করোনা রোগী আছেন। এই রোগের সঠিক চিকিৎসা নাই, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক পরা, ঘন ঘন সাবান দিয়ে হাত ধোয়া প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়া অনুসরণ করতে হবে। বাজারঘাটে যাতে লোক কম যায়। (ঈদ ঘিরে) ফেরিঘাটে মানুষ জটলা পাকায়, সেখানে সংক্রমনের একটা আশঙ্কা আছে। সরকার যথেষ্ট চেষ্টা করেছে তাদের ঠেকাতে। তবুও মানুষ চলে যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, মায়েরা কাপড় চোপড় কিনতে যাচ্ছে, ছোট বাচ্চাদেরও সাথে নিয়ে যাচ্ছে। আমি অনুরোধ করবো, আপনারা যাবেন না, বাচ্চাদের নিয়ে যাবেন না। নিজেরাও আক্রান্ত হবেন, শিশুরাও আক্রান্ত হয়ে যাবে। ঈদ তখন আর আনন্দের থাকবে না, নিরানন্দ হবে। দেখা যাবে একটা বিরাট ক্ষতি হয়ে গেছে। এই ক্ষতি থেকে বেঁচে থাকতে হবে।

এসময় বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যালস প্রস্তুতকৃত রেমডেসিভির টপ্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এই ওষুধ ব্যবহারের বিষয়টি বিশেষজ্ঞরা নির্ধারণ করবেন। বেক্সিমকো প্রথম কোম্পানি যারা দেশে এই ওষুধটি তৈরি করেছে। খুবই মুমূর্ষু রোগীর ক্ষেত্রে এই ওষুধটি দেওয়া হবে। সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন বিশেষজ্ঞরা। আশা করি এটি দিয়ে মানুষের উপকার হবে, জীবন রক্ষা হবে। কোভিড-১৯ রোগের ভ্যাকসিন বা ওষুধ এখনও তৈরি হয়নি। বেশ কিছু ওষুধ বাজারে এসেছে। এসব ওষুধ কিছু কিছু মাত্রায় কাজ করে, কিন্তু শতভাগ কাজ হচ্ছে না।

এই বিভাগের আরো খবর

৪০ বিচারক করোনায় আক্রান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক: নিম্ন আদালতের ৪০ জন...

বিস্তারিত
একদিনে ৪২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩১১৪

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাণঘাতী করোনা...

বিস্তারিত
ক্যানসারসহ নানা রোগ দূরে রাখে ‘লটকন’

অনলাইন ডেস্ক: নানা ফলের ভিড়ে দেশীয় ফল...

বিস্তারিত
দেশে করোনা আক্রান্ত ছাড়ালো দেড়লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশে গত ২৪...

বিস্তারিত
২০ কোটি টাকা বিলের হিসাব দিলো ঢামেক

নিজস্ব প্রতিদবেদক: ঢাকা মেডিকেল কলেজ...

বিস্তারিত
জাফরুল্লাহর শারীরিক অবস্থার ফের অবনতি

অনলাইন ডেস্ক: গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *