করোনা চিকিৎসায় এক অধ্যাপকের এন্টিবডি থিওরি

প্রকাশিত: ০৮:৫৬, ২৮ মার্চ ২০২০

আপডেট: ০৮:৫৬, ২৮ মার্চ ২০২০

কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা: মানব শরীরে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার অনাক্রম্যতা সৃষ্টি করতে পারলে করোনা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে জানিয়েছে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মীর্জা নাসির উদ্দিন। আজ (শনিবার) কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সামনে বিভিন্ন দেশের মেডিকেল জার্নাল পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত বিভিন্ন ইতিবাচক রিপোর্ট তুলে ধরে তিনি এ দাবি করেন। 

উদ্ভিদবিদ্যা  নিয়ে পড়াশুনা করা মীর্জা নাসির উদ্দিনের দাবি,  সরকার মেডিকেল সংশ্লিষ্টদের নিয়ে গবেষণা করলে দ্রুত সময়ে করোনা আক্রান্তদের সুস্থ করা সম্ভব।

তিনি আরো জানান, করোনা আক্রান্ত কোন ব্যক্তি যদি সুস্থ হয়, তাহলে তার দেহে প্রচুর পরিমাণে এন্টিবডি স্মৃতিকোষ তৈরী হয়। এই সুস্থ ব্যক্তির দেহ থেকে রক্ত বা প্লাজমা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির দেহে প্রবেশ করানো হয় তাহলে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ হবে।

প্রফেসর মীর্জা নাসির উদ্দিন বলেন, ভ্যাকসিন আবিস্কারক এডওয়ার্ড জেনার এর চিকিৎসা পদ্ধতির মূল নীতিও এরূপ। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, বিজ্ঞানী গবেষকগণ এই পদ্ধতি অনুসরণ করে দ্রুত করোনা প্রতিষেধক আবিস্কার করা গেলে বাংলাদেশে মৃত্যুহার কমে যাবে। মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবে।আর বিষয় গবেষণা করার জন্য সরকারসহ  সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিশেষ উদ্যোগ নেয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

তিনি আরো জানান, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা রক্তের শ্বেতকণিকার লিস্ফোসাইটেরবি’  কোষ এবংটিকোষ, মেমরী সেল এবং রক্তের প্লাজমার গামা গ্লোবিউলিন সংশ্লিষ্ট। কারণে শিশুকালের কিছু রোগ যেমন- হাম, মামসপক্স, চিকেনপক্স প্রভৃতি জীবনে একবারই হয়। ভ্যাকসিনেশন এই নীতির ভিত্তিতেই উদ্ভব হয়েছে। নীতির ভিত্তিতেই বলা যায়,  করোনা আক্রান্ত কোন ব্যক্তি যদি সুস্থ হয় তাহলে তার দেহে প্রচুর পরিমাণে এন্টিবডি স্মৃতিকোষ তৈরী হয়। এই সুস্থ ব্যক্তির দেহ থেকে রক্ত বা প্লাজমা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির দেহে প্রবেশ করানো হয় তাহলে তার দেহে প্রচুর পরিমাণে এই স্মৃতিকোষ এন্টিবডি তৈরী হবে। অর্থাৎ রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নতির মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব। তবে এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎকের মাধ্যমে এবং রক্ত সঞ্চালনের নীতি পুরোপুরি মেনে। ভ্যাকসিন আবিস্কারক এডওয়ার্ড জেনার এর চিকিৎসা পদ্ধতির মূল নীতিও এরূপ।

চীন, মালয়েশিয়া, আমেরিকা, জার্মানীসহ বেশ কয়েকটি উন্নত দেশে নামিদামি পত্রিকা জার্নালের রেশ টেনে তিনি দাবী করেন ওইসব দেশে অনেক রোগীকে সুস্থ করা সম্ভব হয়েছে এই পদ্ধতী ব্যবহারের মাধ্যমে। রেফারেন্স হিসেবে ১৪ ফেব্রুয়ারির চায়না থেকে প্রকাশিত লাইভ সাইন্স, মার্চ ব্রিটেন থেকে প্রকাশিত দ্য সান, ২০ মার্চ প্রকাশিত লস এঞ্জলেস টাইমস, ২৪ মার্চের নেচার নিউ ইয়র্ক টাইমস পত্রিকা, ২৫ মার্চের এবিসি উদ্ধৃতি টেনে আনেন তিনি।

এই বিভাগের আরো খবর

বাস-মিনিবাসের ভাড়া বাড়লো ৬০ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: গণপরিবহনের ভাড়া ৬০...

বিস্তারিত
পরিবহন সংকটে দুশ্চিন্তায় ফল ব্যবসায়ীরা

ডেস্ক প্রতিবেদন: ঘূর্ণিঝড়ে বেশকিছু...

বিস্তারিত
করোনা আক্রান্ত ছিলো না লিটন

দিনাজপুর সংবাদদাতা: রাজধানীর...

বিস্তারিত
একটি মৃত্যু, অনেক প্রশ্ন

লালমনিরহাট সংবাদদাতা: লালমনিরহাটের...

বিস্তারিত
একদিনে সর্বোচ্চ ২৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৭৬৪

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাণঘাতি করোনা...

বিস্তারিত
বাস ভাড়া ৮০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাস ও মিনিবাসে ৮০...

বিস্তারিত
রোববার থেকে ট্রেন চলবে, সব টিকিট অনলাইনে

নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘ দুইমাস বন্ধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *