সানাউল্লাহ মিয়ার দাফন সম্পন্ন

প্রকাশিত: ০৮:২৯, ২৮ মার্চ ২০২০

আপডেট: ০৮:২৯, ২৮ মার্চ ২০২০

অনলাইন ডেস্ক: বিএনপি’র আইন বিষয়ক সম্পাদক খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়ার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আজ (শনিবার) জোহরের নামাজের পর দুপুর ২টার দিকে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার কারারচর ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

জানাজার নামাজে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য জহিরুল হক ভূইয়া মোহন, বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক লেফটেনেন্ট কর্নেল (অব.) জয়নাল আবেদিন, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসসহ অন্য নেতাকর্মীরা এবং কারারচরের স্থানীয় জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব নরসিংদী জেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল কবির খোকন জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি কাটিয়ে দেশের অবস্থা ভাল হলে নরসিংদীর শিবপুরে মরহুম সানাউল্লাহ মিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল স্মরণসভা হবে।

এর আগে শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাত ৮টা ৫৫ মিনিটে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে মারা যান সানাউল্লাহ মিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনিজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। এছাড়া গত বছরের জানুয়ারি তিনি মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণজনিত সমস্যায় (স্ট্রোক) আক্রান্ত হন। ওই সময় তাকে রাজধানীর নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশেও নিয়ে যাওয়া হয়। সেই থেকে তার মুখের বাঁ পাশ বেঁকে যায়।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত থেকে বাবার শরীর প্রচণ্ড খারাপ হলে তাকে গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে এনে ভর্তি করানো হয়। গতকাল পর্যন্ত তিনি হাসপাতালের সিসিইউতে ছিলেন। পরে প্রচণ্ড খিঁচুনি ওঠায় তাকে অক্সিজেন দিয়ে রাখা হয়েছিল। 

প্রায় তিনযুগ ধরে আইনপেশার পাশাপাশি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত সানাউল্লাহ মিয়া। ১৯৭৯ সালে ঢাকা সিটি কলেজে পড়ার সময়ে শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর ঢাকা মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক, ১৯৮০ সালে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হন। ১৯৮২ সালে ঢাকা মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ১৯৮৩ সালে তাকে ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য করা হয়। ১৯৮৫ সালের মার্চ আইনজীবী হওয়ার পর ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা মহানগরের সহ-আইন সম্পাদক ছিলেন তিনি।

১৯৯৩ সালে মহানগরের আইন সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ১৯৯১ সালে তিন মাসের জন্য ঢাকা জজকোর্টে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) করা হয় তাকে। তখন তার দায়িত্ব ছিলো সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনা করা। দলের জন্য আইন অঙ্গণে রাজপথে সক্রিয় সানাউল্লাহ মিয়া নিজ এলাকা নরসিংদী- আসন থেকে নির্বাচন করার জন্যও প্রস্তুতি নিয়েছিলেন।

এই বিভাগের আরো খবর

সরকার অদক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে: ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা পরিস্থিতি...

বিস্তারিত
লকডাউন শিথিলে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে: ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুরোপুরি লকডাউনের...

বিস্তারিত
আরও কঠিন সময় আসছে: কাদের

নিজস্ব সংবাদদাতা: করোনা মহামারী এবং...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *