জয়দেবপুরে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করে সামরিক প্রশাসন

প্রকাশিত: ১০:৩৩, ১৯ মার্চ ২০২০

আপডেট: ১১:০৫, ১৯ মার্চ ২০২০

বিউটি সমাদ্দার: স্বাধীনতার সংগ্রাম, একাত্তরের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সাথে অবিচ্ছেদ্য নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। নিজের বিরল ত্যাগী ও সৎ রাজনীতি দিয়ে হয়েছিলেন দেশের মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তির প্রতীক। এবছর স্বাধীনতার মাস মার্চ ফিরেছে বিশেষ উপলক্ষ্য নিয়ে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এই মাসে। তাই এবার, একাত্তরের এই মাসে জাতির জনক শেখ মুজিবের ঐতিহাসিক পদক্ষেপগুলো নিয়ে বৈশাখী সংবাদের ধারাবহিক বিশেষ আয়োজন- 'যাঁর নামে স্বাধীনতা'।

একাত্তরের ১৯শে মার্চ সকাল ১১ টায় ইস্কাটনের প্রেসিডেন্ট ভবনে তৃতীয় দফায় বৈঠকে বসেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান। ৯০ মিনিটের সেই বৈঠকে বঙ্গবন্ধু ও ইয়াহিয়া ছাড়া অন্য কেউ উপস্থিত ছিলেন না।

দেড় ঘন্টার বৈঠক শেষে বাইরে অপেক্ষমান সাংবাদিকদের শেখ মুজিব জানান, “আগামীকাল আবার বৈঠক হবে। দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা আমাকে সাহায্য করবেন। আজ সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ দলীয় নেতাদের সঙ্গে প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টারা আলোচনায় মিলিত হবেন।” (সূত্রঃ দৈনিক সংগ্রাম)
 
১৯শে মার্চ জয়দেবপুরে বাঙালী জনতা ও পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর মধ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষ হয়। বিক্ষুব্ধ জনতার প্রতি সেনারা উস্কানিমূলক আচরণ দেখালে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। জয়দেবপুরে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করে সামরিক প্রশাসন।

এদিন, ভারতের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ জয় প্রকাশ নারায়ণ এক বিবৃতিতে বলেন, “গণতন্ত্রে বিশ্বাসী প্রতিটি মানুষের উচিত মুজিবকে সমর্থন দেওয়া। গান্ধিজীর পরে শেখ মুজিবুর রহমানই এতখানি বিশাল আয়তনে অহিংস শক্তি প্রদর্শনের ক্ষমতা লাভ করিলেন।” (সূত্রঃ দৈনিক সংগ্রাম)

 

এই বিভাগের আরো খবর

৬ দফাকে চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছান বঙ্গবন্ধু

গোলাম মোর্শেদ: সব ভেদাভেদ ভুলে দেশের...

বিস্তারিত
‘৬-দফাই জাতির মুক্তির সনদ’

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *