বঙ্গবন্ধুর শর্ত মেনে নিন, ইয়াহিয়াকে সরকারপন্থী কয়েকটি দল

প্রকাশিত: ১০:১১, ০৬ মার্চ ২০২০

আপডেট: ১২:০৮, ০৬ মার্চ ২০২০

বিউটি সমাদ্দার: স্বাধীনতার সংগ্রাম, একাত্তরের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সাথে অবিচ্ছেদ্য নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। নিজের বিরল ত্যাগী ও সৎ রাজনীতি দিয়ে হয়েছিলেন দেশের মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তির প্রতীক। এবছর স্বাধীনতার মাস মার্চ ফিরেছে বিশেষ উপলক্ষ্য নিয়ে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এই মাসে। তাই এবার, একাত্তরের এই মাসে জাতির জনক শেখ মুজিবের ঐতিহাসিক পদক্ষেপগুলো নিয়ে বৈশাখী সংবাদের ধারাবহিক বিশেষ আয়োজন ‘যাঁর নামে স্বাধীনতা’।

১৯৭১ সালের ৬ই মার্চ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান। ভাষণে স্থগিত করা পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন বসার নতুন তারিখ ঘেষণা করেন ২৫শে মার্চ। সেই সাথে লেফটেনেন্ট জেনারেল টিক্কা খানকে নিয়োগ দেন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর পদে।

৫ই মার্চ পল্টন ময়দানে জনসভায় ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু মুজিব। বলেন, ‘বাংলার ভাইয়েরা আমার- আমি বলছি, আমি থাকি আর না থাকি- বাংলার স্বাধিকার আন্দোলন যেন না থামে, বাঙালির রক্ত যেন বৃথা না যায়। আমি যদি নাও থাকি, আমার সহকর্মীরা আছেন। তাঁরাই নেতৃত্ব দিবেন। আর যদি কেউই না থাকে, তবু আন্দোলন চালায়ে যাইতে হবে।’ (সূত্রঃ দৈনিক পূর্বদেশ)।

এদিন বঙ্গবন্ধু মুজিবের দেয়া শর্ত মেনে নিতে সামরিক শাসক ইয়াহিয়ার প্রতি আহ্বান জানান পশ্চিম ও পূর্ব পাকিস্তানের সরকারপন্থী কিছু রাজনৈতিক দল।

দৈনিক ইত্তেফাকের খবর অনুসারে একাত্তরের এদিন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ভেঙ্গে পালিয়ে যায় ৩০০ বাঙালি কয়েদি। এসময়, কারা কর্তৃপক্ষের গুলিতে ৭জন নিহত ও ৩০জন কয়েদি আহত হয়। এছাড়াও ৬ই মার্চ রাজশাহীতে মিছিলকারীদের ওপর পাকিস্তানী শাসকদের নিয়ন্ত্রিত সশস্ত্র বাহিনী গুলি চালালে ১ জন নিহত ও ১৪ জন আহত হয়। খুলনায় পুলিশের গুলিতে নিহত হন ১৮ জন ও আহত হন ৮৬জন। বাঙালির আন্দোলন প্রতিহত করতে সান্ধ্য আইন অব্যাহত রাখে পাকিস্তানী সামরিক সরকার।

এই বিভাগের আরো খবর

‘৬-দফাই জাতির মুক্তির সনদ’

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ...

বিস্তারিত
গুণীদের ভীষণ কদর করতেন বঙ্গবন্ধু: এম এ মালেক

বিউটি সমাদ্দার: সব ভেদাভেদ ভুলে দেশের...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *