সাগর-রুনি হত্যার অগ্রগতি প্রতিবেদনের শুনানি করেনি হাইকোর্ট

প্রকাশিত: ০১:২০, ০৪ মার্চ ২০২০

আপডেট: ০৪:০৮, ০৪ মার্চ ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুণ রুনির হত্যা মামলার র‌্যাবের তদন্তের সর্বশেষ অগ্রগতি প্রতিবেদনের ওপর হাইকোর্টে শুনানি হয়নি। রাষ্ট্রপক্ষ শুনানির শুরুতে আদালতের এখতিয়ার  নিয়ে প্রশ্ন তোলায় মামলাটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ। 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি আ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার বলেন, এই আদালতের বিচারিক এখতিয়ার পরিবর্তন হওয়ায় এখন আর এই মামলা শুনানি করতে পারে না। পরে আদালত মামলাটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন। 

এ সময় প্রতিবেদন জমা হওয়ার আগে গণমাধ্যমে প্রচার হাওয়ায় ক্ষোভ জানান আদালত। এদিকে, আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের ভূমিকা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন রুনির ভাই ও মামলার বাদি নওশের রহমান। 

এর আগে গত সোমবার (০২ মার্চ) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে আদালতে হলফনামা আকারে দাখিলের জন্য র‌্যাবের পক্ষ থেকে সাগর-রুনি হত্যা মামলার অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।

ওইদিন র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম বলেন, সাগর-রুনি হত্যা মামলার অগ্রগতি সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন হলফনামা আকারে হাইকোর্টের বেঞ্চে দাখিলের জন্য দেওয়া হয়েছে।

গত বছর ১৪ নভেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে আগামী ৪ মার্চ বা তার আগে এ মামলার তদন্তের সর্বশেষ অবস্থা এবং অপরাধের সঙ্গে তানভীরের সম্পৃক্ততার বিষয়ে একটি প্রতিবেদন হলফনামাসহ দাখিলের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

ওই মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতারের পর জামিনে থাকা মো. তানভীর রহমান তার বিরুদ্ধে মামলা বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। গত ২০ অক্টোবর হাইকোর্ট ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করে রুলসহ আদেশ দেন।

রুলে তানভীর রহমানের ক্ষেত্রে ওই মামলার কার্যক্রম কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়। পরে, তদন্ত কর্মকর্তা হাইকোর্টে হাজির হয়ে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানান। এর ধারাবাহিকতায় গত বছরের ১৪ নভেম্বর ওই আদেশ দেন আদালত।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফাওজিয়া করিম ফিরোজ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সরওয়ার হোসেন বাপ্পী।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের  মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। প্রথমে মামলাটির তদন্ত করেন শেরেবাংলা নগর থানার একজন কর্মকর্তা। পরে ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত ভার পড়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. রবিউল আলমের ওপর। দুই মাস পর হাইকোর্টের আদেশে মামলাটির তদন্ত দেওয়া হয় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র‌্যাব)।

এ ঘটনায় ২০১২ সালের ১ অক্টোবর সন্দেহভাজন হিসেবে তানভীরকে গ্রেফতার করা হয়। ২০১৪ সালের ২ ডিসেম্বর তাকে জামিন দেন হাইকোর্ট।

এই বিভাগের আরো খবর

ত্রাণ বিতরণের আগে পুলিশকে জানান

নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্তমান করোনা...

বিস্তারিত
মুক্তি পেতে যাচ্ছে তিন হাজার বন্দি!

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা ভাইরাস...

বিস্তারিত
দিনাজপুর ও পাবনায় দুই জন নিহত

ডেস্ক প্রতিবেদন: দিনাজপুর ও পাবনায়...

বিস্তারিত
মানবিক আচরণ করুন: আইজিপি

অনলাইন ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের...

বিস্তারিত
হোটেল-রেস্টুরেন্ট খোলা থাকবে: ডিএমপি

নিজস্ব প্রতিবেদ: করোনা মোকাবেলায়...

বিস্তারিত
টেকনাফে ৪ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

কক্সবাজার সংবাদদাতা: কক্সবাজারের...

বিস্তারিত
যশোরের সেই এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার

যশোর সংবাদদাতা: যশোরের মনিরামপুরে...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *