‘বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির দায় জনগণের উপর চাপানো অযৌক্তিক’

প্রকাশিত: ০২:২২, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

আপডেট: ০৫:৩২, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদ্যুৎ খাতে সরকারের ভুল পরিকল্পনার দায় জনগণের উপর চাপানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। বিদ্যুতের দাম বাড়ানো অযৌক্তিক উল্লেখ করে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণেই বিদ্যুতের দাম দফায় দফায় বাড়ানো হচ্ছে। তবে বিদ্যুত ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, ভর্তুকি কমাতে দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

দুই বছরের ব্যবধানে আরেকদফা বাড়ানো হয়েছে বিদ্যুতের দাম। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে রয়েছে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া। বিদ্যুতের দাম বাড়লে তার প্রভাব পড়ে সর্বক্ষেত্রেই। জীবন জীবিকা চরম সংকটে পড়ার আশঙ্কা সাধারণ মানুষের।

দাম বাড়ানো নিয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রেন্টাল, কুইক রেন্টালের নামে বেসরকারি ব্যক্তি মালিকদের মুনাফার জন্যই বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে সরকার। এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন যখন বন্ধ থাকে তখনো ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ হাজার হাজার কোটি টাকার দায় জনগণের উপর চাপানো হয় বলে অভিযোগ করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ আহমেদ।

তবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, বিদ্যুত ও জ্বালানি খাতে প্রতি বছর ১১ হাজার কোটি টাকা ভর্তূকি দিচ্ছে সরকার। বিদ্যুতের দাম বাড়ানো নয়, সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এই খাতে সরকারের ভর্তূকি কমাতে আরো চার থেকে পাঁচ বছর সময় লাগবে বলে জানান নসরুল হামিদ। ২০২৫ সালের পর মুনাফা আসার সম্ভাবনার কথাও জানান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী।

এই বিভাগের আরো খবর

বস্তিবাসীরা বেশি করোনা ঝুঁকিতে 

মাবুদ আজমী: ছিন্নমূল নিম্ন আয়ের...

বিস্তারিত
বিশ্ববাসীর নজরে কুষ্টিয়ার ইউটিউব গ্রাম

বিউটি সমাদ্দার : গ্রামের নাম ইউটিউব।...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *