করোনা মোকাবেলায় আরো কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে চান প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৬:২৩, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

আপডেট: ০৭:৪৬, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে কোরিয়া সরকার বিমানবন্দরে যে সব স্ক্রিনিং মেশিন দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো, সেগুলো দ্রুত দেশে আনার নির্দেশও দেন তিনি।

আজ (সোমবার) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন।

পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট আইন-২০২০ এর খসড়া অনুমোদনও দেয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে একীভুত হতে যাচ্ছে শিশু হাসপাতাল ও শিশু স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘১৯৭৭ সালে শের-ই-বাংলা নগরে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসাবে ঢাকা শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা হয়। বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে বিচ্ছিন্ন ও সীমিতভাবে দরিদ্র রোগাক্রান্ত শিশুদের জন্য চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হতো। পরবর্তী সময়ে শিশুদের সার্বিক চিকিৎসার জন্য এটি একটি পূর্ণাঙ্গ শিশু হাসপাতাল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।’

ঢাকা শিশু হাসপাতাল কোনো আইনগত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত নয় জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ঢাকা শিশু হাসপাতাল অধ্যাদেশ-২০০৮ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। নবম জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির সুপারিশের আলোকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় জারি করা ১২২টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৫৪টি অধ্যাদেশ অনুমোদন করা হয়। অননুমোদিত ৬৮টি অধ্যাদেশের মধ্যে ঢাকা শিশু হাসপাতাল অধ্যাদেশও রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকা শিশু হাসপাতালের কর্মকাণ্ড এবং বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানের বিধান সম্বলিত কোনো স্বয়ংসম্পূর্ণ আইন বা অধ্যাদেশ নেই। হাসপাতালটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে উক্ত অধ্যাদেশের আলোকে একটি পূর্ণাঙ্গ আইন প্রণয়ন করা সমীচীন।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও জানান, ঢাকা শিশু হাসপাতাল ও বাংলাদেশ শিশু স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটকে একীভূত করে ২১টি ধারা সম্বলিত বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট আইনের খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। এ আইন অনুযায়ী ইনস্টিটিউটের সুষ্ঠু পরিচালনা ও প্রশাসন সার্বিকভাবে একটি ব্যবস্থাপনা বোর্ডের ওপর ন্যস্ত থাকবে। সরকারের একজন চেয়ারম্যানসহ ১২ সদস্যের ব্যবস্থাপনা বোর্ড গঠিত হবে।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘একটি আইনের মাধ্যমে ঢাকা শিশু হাসপাতাল পরিচালিত হলে সর্বস্তরের শিশুদের উন্নত চিকিৎসাসেবা দেয়ার মাধ্যমে একটি সুস্থ ও সবল জাতি গঠনে হাসপাতালটি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করবে।’

এই বিভাগের আরো খবর

আরো দুই করোনা রোগী শনাক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদশে আরো দুই জন...

বিস্তারিত
সরকারকে সহযোগিতার আশ্বাস ফখরুলের

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা সংকট...

বিস্তারিত
ঢাকা ছাড়লেন ২৬৯ মার্কিন নাগরিক

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোণা সংক্রমণের...

বিস্তারিত
যানবাহন ও মানুষের চলাচল বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাইণঘাতি করোনা...

বিস্তারিত
রাজধানীতে বেড়েছে মানুষের চলাচল

মাবুদ আজমী: সরকারি নির্দেশনা অমান্য...

বিস্তারিত
তিনদিনে করোনা শনাক্ত আরও একজন

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশে গত তিনদিনে...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *