স্কুলছাত্র হত্যার দায়ে ৪ জনের মৃত্যৃদণ্ড

প্রকাশিত: ০৬:৪১, ২০ জানুয়ারি ২০২০

আপডেট: ০৬:৪১, ২০ জানুয়ারি ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর কামরাঙ্গীর চরের চয়ন একাডেমির অষ্টম শ্রেণির ছাত্র কাউসারকে হত্যার মামলায় এক দম্পতিসহ চারজনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালতআজ (সোমবার) ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. নজরুল ইসলাম এ রায় দেন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আলতাফ হোসেন ও তার স্ত্রী ফরিদা, জামির আলী এবং শাহজাহানআসামিদের মধ্যে জামির আলী পলাতকঅন্য তিন আসামি আদালতে হাজির ছিলেনরায় ঘোষণার আসামিদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়

রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী কৌঁসুলি হুমায়ুন কবির চৌধুরী জানান, কাউসারের বাবা মো. ইব্রাহিম আলী মুদি দোকানি কামরাঙ্গীর চরের জাউলাহাটিতে পরিবার নিয়ে থাকেন২০১২ সালের ১৬ মে আসামিরা কাউসারকে অপহরণ করে নিয়ে আলতাফের বাসায় খাটের নিচে আটকে রাখেপরে চিরকুট পাঠিয়ে এবং মোবাইল ফোনে তারা কাউসারের বাবার কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেএ ঘটনায় কাউসারের পরিবার কামরাঙ্গীর চর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে

কাউসারের পরিবার পরে ১৯ মে নবাবগঞ্জে অপহরণকারীদের হাতে মুক্তিপণের টাকা তুলে দিলেও তারা অপহরণকারীরা তাকে ফেরত দেয়নিএরপর ২৬ মে অপহরণের মামলা করা হয়মামলাটি পরে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশে স্থানান্তর করা হয়এ মামলায় প্রথমে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তারা জামিনে মুক্তি পায়এরপর অপহরণকারীরা কাউসারের বাবার কাছে আরো এক লাখ টাকা দাবি করে১৫ আগস্ট আসামি জামিরকে গ্রেপ্তার করা হয়

তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে আলতাফ, তার স্ত্রী ফরিদা ও শাহজাহানকে গ্রেপ্তার করে ডিবিআসামিদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপহরণের প্রায় তিন মাস পর ওই বছরের ১৮ অগাস্ট দুপুরে কাউসারের বাসার কাছে দেয়ালঘেরা একটি জমির মাটি খুঁড়ে তার দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়পরনের জিন্স প্যান্ট ও গেঞ্জি দেখে কাউসারের দেহাবশেষ শনাক্ত করেন স্বজনেরা

গোয়েন্দা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানায়, অপহরণের পরদিন রাতেই কাউসারকে শ্বাসরোধে হত্যা করে তারা

এই বিভাগের আরো খবর

টেকনাফে ৪ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

কক্সবাজার সংবাদদাতা: কক্সবাজারের...

বিস্তারিত
যশোরের সেই এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার

যশোর সংবাদদাতা: যশোরের মনিরামপুরে...

বিস্তারিত
চট্টগ্রামে রাস্তায় ওষুধ ছিটিয়েছে পুলিশ

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক: করোনা ভাইরাসের...

বিস্তারিত
মুক্তি পেয়ে গুলশানের বাসায় খালেদা জিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক: দুই বছর দেড় মাস...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *