ঢাকা, রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-23

, ১২ মহাররম ১৪৪০

শেষ হলো দশম আন্তর্জাতিক পোল্ট্রি শো ও সেমিনার

প্রকাশিত: ১১:৪৭ , ০৪ মার্চ ২০১৭ আপডেট: ১১:৪৭ , ০৪ মার্চ ২০১৭

বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে শেষ হল তিনদিনব্যাপী ১০ম আন্তর্জাতিক পোল্ট্রি শো ও সেমিনার ২০১৭। শেষ দিনে স্টলগুলোতে ছিলো উপচে পড়া ভিড়। শেষদিনে কয়েক হাজার উদ্যোক্তা পোল্ট্রি ব্যবসা নিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেছেন।   সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এ শিল্প ও পরিবেশ সুরক্ষায় পোল্ট্রি আবর্জনা ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিতে হবে।

ঢাকায় আয়োজিত ১০ম আন্তর্জাতিক পোল্ট্রি শো ও সেমিনার শেষ হলো শনিবার। পোল্ট্রি খামার স্থাপনকারী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের পদচারণায় মুখরিত ছিলো তিন দিনের এ মেলা। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞরাও যোগ দেন মেলায়।

পোল্ট্রি, অ্যানিমেল ও মেডিসিন কোম্পানিসহ মোট ৪৯০টি দেশি-বিদেশি স্টল ছিলো মেলায়। ছিলো পোল্ট্রি ব্যবসায়ী, পোল্ট্রি ফিড ব্যবসায়ী, পোল্ট্রির সরঞ্জামাদি ব্যবসায়ী, মেডিসিন কোম্পানি, রিপ্রেজেনটেটিভ, ডাক্তার, বিশেষজ্ঞ, ইঞ্জিনিয়ারসহ পোল্ট্রি শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত হাজারও উদ্যোক্তা। বাচ্চা উৎপাদন, লালনপালন, মার্কেটিং, পোল্ট্রি খাদ্য উৎপাদন, মৎস উৎপাদন, মাছের খাদ্য উৎপাদন, গরুর খামারসহ পোল্ট্রি, গবাদিপশু ও মৎস খাতের সবই ছিলো এ মেলায়।

শেষ দিন হওয়ায় মেলা প্রাঙ্গণে ছিল উপচে পড়া ভিড়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা পোল্ট্রি খামারি ও উদ্যোক্তারা যেন হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন। ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন স্টল দেখছেন। কোন স্টলে নতুন কি প্রযুক্তি এসেছে ও মুরগির রোগ বালাই ও ভ্যাকসিনেশনের দিকেই বেশি নজর। খামার সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি সংগ্রহ করেছেন পোল্ট্রি ব্যবসায় সফল হওয়ার নানা কৌশল।

স্টলগুলোতে থাকা এক্সপার্ট ও কোম্পানিগুলোর খামারের নতুন প্রযুক্তি, নতুন জাত ও টেকনিক্যাল বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে উৎসাহিত করেছেন উদ্যোক্তাদের।  

ওয়ার্ল্ড পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ শাখার আয়োজনে এ মেলার সেমিনারে সারাবিশ্বের পোল্ট্রি খামারিরা এবং পোল্ট্রিসহ অন্যান্য অ্যানিমেল ব্যবসায়ী এবং বিশেষজ্ঞরা এখানে একত্রিত হয়েছিলেন। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন  দেশের এক্সপার্টরা পোল্টির নানা সমস্যা ও পোল্ট্রি শিল্পের ভবিষ্যত অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেন।

শেষ দিনে সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা বলেন, পোল্ট্রির বর্জ্য শোধন না করে জামিতে বা পানিতে সার হিসেবে ব্যবহার করলে সবজি এবং মাছে ক্ষতিকর উপাদান পাওয়া যায়। তাই বায়োগ্যাসে ব্যবহারের পর শোধন করে তারপরই সার হিসেবে পোল্ট্রি বর্জ্য ব্যবহার করতে হবে।

তাই পরিবেশের জন্য ও এ শিল্পের সুরক্ষায় পোল্ট্রির আবর্জনা ভালো ভাবে শোধন করারা পরামর্শ দেন তারা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

মানুষের রক্তে আছে হলুদ স্বর্ণ 

ডেস্ক প্রতিবেদন: রক্ত মানুষের শরীরে অক্সিজেন বহন করে। রক্তে আছে আয়রন, ক্রোমিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, লেড ইত্যাদি। তবে, অবাক করা ব্যাপার...

প্রসাধন সামগ্রীতে ক্ষতিকর প্লাস্টিক কণা, ঝুঁকিতে মানবদেহ ও প্রকৃতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে বিভিন্ন ধরনের প্রসাধন সামগ্রীতে ক্ষতিকর মাইক্রোবিডস বা প্লাস্টিক-কণা পেয়েছেন গবেষকরা। ৮ ধরনের ১০৪টি প্রসাধনী...

বাচ্চাকে চা দিচ্ছেন? 

ডেস্ক প্রতিবেদন:  বাড়িতে পরিবারের লোকজনকে দেখেই বাচ্চারাও চা পান করতে বায়না ধরে। এতে অনেক সময় বাধ্য হয়েই বাচ্চাদের চা দিতে হয়। কিন্তু এই...

জটিল অসুখ সারায় কালমেঘ

ডেস্ক প্রতিবেদন: কাজের চাপে কিংবা বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে আমরা সঠিকভাবে শরীরের যত্ন নিতে পারিনা। অনিয়মিত খাবার দাবার, ঘুমের অভাব,...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is