খালেদা জিয়ার সবশেষ মেডিকেল রিপোর্ট চেয়েছে আপিল বিভাগ

প্রকাশিত: ১০:৪৪, ২৮ নভেম্বর ২০১৯

আপডেট: ০৪:১৭, ২৮ নভেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাত বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি শেষ হয়েছে। আদালত পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন ৫ ডিসেম্বর। এই সময়ের মধ্যে তাঁর শারিরীক অবস্থার সর্বশেষ প্রতিবেদন আপিল বিভাগে জমা দিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালকে( বিএসএমএমইউ) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে আজ (বৃহস্পতিবার)সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ছয় সদস্যের বেঞ্চে খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি শুরু হয়। শুনানি শুরু করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। শুরুতেই তিনি আদালত চত্বরে কড়া পুলিশী নিরাপত্তার বিষয়ে আদালতের কাছে অনুযোগ করেন। পরে খালেদা জিয়ার জামিনের জন্য যুক্তিগুলো উপস্থাপন করতে থাকেন। তার সাথে জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরাও শুনানিতে বক্তব্য রাখবেন।

গত রোববার (২৫ নভেম্বর) শুনানির দিন ধার্য থাকলেও আপিল বিভাগের সব সদস্য শুনবেন বলে বৃহস্পতিবার তারিখ ঠিক করেন প্রধান বিচারতি।

হাইকোর্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বেগম জিয়ার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করলে এর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। চেম্বার আদালত বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন।

আদালতে সেদিন খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। অন্যদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান। উপস্থিত ছিলেন এ জে মোহাম্মদ আলী, মীর নাসির, ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, বদরোদ্দোজা বাদল, গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী আলাল, কামরুজ্জামান মামুন, সগীর হোসেন, জহিরুল ইসলাম সুমন, এহসানুর রহমান প্রমুখ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এদিকে, ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড পেয়ে বন্দি রয়েছেন খালেদা জিয়া। আপিলের পর হাইকোর্টে যা বেড়ে ১০ বছর হয়। পরে ২০১৮ সালের ১৮ নভেম্বর খালাস চেয়ে আপিল বিভাগে খালেদা জিয়া জামিন আবেদন করেন। তবে সে আবেদন এখনও আদালতে উপস্থাপন করেননি তার আইনজীবীরা।

২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের সাত নম্বর কক্ষে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একইসঙ্গে, তাকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। একই সাজা হয়েছে মামলার অপর তিন আসামিরও।

এই বিভাগের আরো খবর

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি বিএনপির

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বাস্থ্যখাতের...

বিস্তারিত
১৪ দলের নতুন মুখপাত্র আমু

নিজস্ব সংবাদদতা: আওয়ামী লীগের...

বিস্তারিত
উপ-নির্বাচন পেছানোর দাবি নাকচ ইসি’র

নিজস্ব প্রতিবেদক: বগুড়া-১ ও যশোর-৬...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *