ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় নানা প্রস্তুতি

প্রকাশিত: ০৩:২১, ০৯ নভেম্বর ২০১৯

আপডেট: ০৪:৪৮, ০৯ নভেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুলের’ প্রভাবে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে এবং জানমালের নিরাপত্তায় সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরগুনা, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, ভোলা ও চাঁদপুরসহ উপকূলীয় এলাকার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। বিকেলের মধ্যে সবাইকে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে কাজ করছে প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবকরা।

আবহাওয়া অধিদপ্তর মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দওে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে। চট্টগ্রামে দেওয়া হয়েছে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত। দেশের জেলাগুলোর মধ্যে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে উপকূলীয় আটটি জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরগুনা, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, ভোলা ও চাঁদপুরের মানুষ।

সুন্দরবন সংলগ্ন জনপদ- সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনি, খুলনার দাকোপ ও কয়রা উপজেলার সব মানুষকে সকাল থেকেই সরিয়ে নেয়া শুরু করে প্রশাসন। বিভিন্ন যানবাহন দিয়ে স্বেচ্ছাসেবীরা তাদের আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছে। সাতক্ষীরার বেড়ি বাধগুলো ক্ষতিগ্রস্ত ঝুঁকিতে থাকায় প্রবল জলোচ্ছ্বাসে ব্যাপক ক্ষতির আশংকা রয়েছে ওইসব এলাকায়।

সুন্দরবন এলাকার মানুষদের ১২শ’ আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। মংলায় গুড়িগুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। গতরাত থেকে এলাকায় বিদ্যুত নেই। আতংকিত মানুষদের আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে মাইকিং ও প্রচারণা চালাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন ও স্বেচছাসেবী সংগঠনগুলো।

মোংলা বন্দরে থাকা ১৪টি বড় জাহাজ নিরাপদে নোঙর করা হয়েছে। পণ্য ওঠানামা বন্ধ রয়েছে।

ভোলার দ্বীপ অঞ্চলে মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। মূল ভুখÐ থেকে বিচ্ছিন্ন মনপুরা, কলাতলী, ঢালচর, চর নিজাম ও চর পাতিলাসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দরাও আশ্রয় কেন্দ্রের দিকে ছুটছেন। লোকজনকে নিরাপদ স্থানে নিতে পুলিশ, কোস্টগার্ড, নৌ-পুলিশসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রায় ১৩ হাজার সদস্য কাজ করছে।

এছাড়া চাঁদপুর ও বরগুনার ঝুকিপূর্ণ এলাকার মানুষদের সরিয়ে নিতে কাজ করছে প্রশাসন। সন্ধ্যার আগেই সবাইকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

চট্টগ্রামে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত থাকায় সকাল থেকে বন্দরের মূল জেটির জাহাজগুলো বহির্নোঙরে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। মাইকিংয়ের পাশাপাশি মানুষদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে। পাহাড়ি এলাকায় ভ‚মি ধ্বসের আশঙ্কা থাকায় সেখানেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সিতাকুÐ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলটন রায় জানান, উপকূলের লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য বলা হলেও তাদেও মধ্যে অনীহা দেখাগেছে। তবে স্থানী জনপ্রতিনিধিরা তাদের সরিয়ে নিতে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

এই বিভাগের আরো খবর

গোপালগঞ্জে কাভার্ডভ্যান চাপায় ২ জন নিহত

গোপালগঞ্জ সংবাদদাতা: গোপালগঞ্জে...

বিস্তারিত
খুলনাসহ কয়েকটি জেলায় বাস চলছে না

অনলাইন ডেস্ক: খুলনায় চতুর্থ দিনের মতো...

বিস্তারিত
মধুমতির ভাঙনের কবলে নদী পাড়ের মানুষ

ফরিদপুর সংবাদদাতা: মধুমতি নদী ভাঙনে...

বিস্তারিত
জনগণকে দুর্ভোগে ফেলবেন না: সেতুমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদদাতা: জনদুর্ভোগের কথা...

বিস্তারিত
আলোচনা করলে দেশে সংকট থাকত না: ফখরুল

নিজস্ব সংবাদদাতা: সরকার চায় না খালেদা...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *