দিলকুশা ক্লাব: তহবিল সংগ্রহ ছিল ত্রুটিমুক্ত

প্রকাশিত: ১০:৩৫, ০৫ নভেম্বর ২০১৯

আপডেট: ১১:৫৮, ০৫ নভেম্বর ২০১৯

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনো প্রবেশের আগে দিলকুশা ক্লাবের অর্থ সংস্থানের গল্পে চাকচিক্য না থাকলেও কোন ব্যাধি ছিল না। যাত্রার শুরুতে চলতো সদস্যদের চাঁদার টাকায়। এরপর ব্যবসায়ীদের অনুদান ও দোকান ভাড়া দিয়ে তহবিল সংগ্রহ করতো সংগঠকরা। তাসের জুয়ার প্রচলন আশির দশক থেকে। যা দিয়ে মূলত ক্লাবের পরিচালনা ব্যয় নির্বাহ করা হতো। সেই সময় ক্লাবের ছিলো না কোন ঋণ ও অঢেল অর্থের উৎস।    

দিলকুশা ক্লাব খেলাধুলা শুরু করলে ক্রমেই ফুটবল, হকি, হ্যান্ডবল, ভলিবল, টেবিল টেনিস, কাবাডির মত ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় সব খেলায় যুক্ত হয়। রাজধানীর ক্রিড়াঙ্গনে নজর কাড়ে, পরিচিতি পায় দেশে।  

ক্লাবের ক্যাসিনো যুগ শুরুর আগে প্রতিটি খেলার জন্য বরাদ্দ ছিলো পৃথক করে। ফুটবলে বার্ষিক ২০ থেকে ২৫ লাখ, হকিতে ১০ থেকে ১৫ লাখ, হ্যান্ডবলে ১০ লাখ, সব মিলিয়ে বছরে মোট কোটি টাকার ব্যয় ছিলো ক্লাবের।

সময়ে সাথে সাথে দিলকুশা ক্লাবের ব্যয় বাড়তে থাকে, একসময় বছরে এক কোটি টাকার ব্যয়  ১০ কোটি টাকায় ঠেকে। এই ক্রমবর্ধমান খরচ মেটাতে এক সময় ওয়ান-টেন নামে একটি জুয়া হতো। এরপর হাউজির প্রচলন ঘটে ক্লাবে। বার্ষিক অনুদান দাতাদের বাইরে আয়ের একটি বড় অংশ আসতো এই হাউজি থেকে।  

দূর অতীতে ক্লাবের সংগঠকরা রাজনীতিতে খুব একটা সক্রিয় ছিলেন না বরং ক্লাবগুলোর মধ্যে ছিলো ভাল খেলার তীব্র প্রতিযোগিতা। ফলে খেলাধুলাতে ক্লাবগুলোর ছিলো ভাল করার চেষ্টা, তাই তৈরি হতো ভালো মানের খেলোয়াড়।

কিন্তু ক্যাসিনোর প্রবেশ পাল্টে দেয় ক্লাবের চেনা জগতকে।  রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ক্যাসিনো এই ক্লাবে হয় টাঁকশালের চেয়েও বড় টাকা বানানোর কারখানা ও মেশিন।

 

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *