অর্থের খরা কাটাতে ক্যাসিনো বসায় মোহামেডান ক্লাব 

প্রকাশিত: ০৯:০৫, ০২ নভেম্বর ২০১৯

আপডেট: ০১:৪৬, ০২ নভেম্বর ২০১৯

পার্থ রহমান: গত ২০ বছর ধরে ফুটবল ও ক্রিকেটে শিরোপা খরায় মোহামেডানের অর্থের যোগান কমে। অর্থের খরা কাটাতে প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান ক্লাব পাশ্চাত্যের আধুনিক জুয়ার আসর ক্যাসিনো বসায় ক্লাবে। গত বছর থেকে শুরু হয় মোহামেডানের কলঙ্কময় ক্যাসিনো অধ্যায়। খেলার ক্লাব মোহামেডান পরিণত হয় ক্যাসিনো ক্লাবে।

২০১১ সালের পর থেকে অর্থনৈতিক দৈন্যদশা শুরু হয় মোহামেডানে। একদিকে শিরোপা খরা, অন্যদিকে ক্লাব পরিচালনায় অদক্ষতা। একসময় যারা মোহামেডানকে ভালোবেসে বিপুল অর্থ দিতেন তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়।

এমন বাস্তবতায় ক্যাসিনো ভাড়া দিয়ে অর্থ আয়ের বিকল্প পথ খোঁজেন ক্লাবের কিছূ কর্মকর্তা। ২০১৮ সালের ২৮ জুলাই মোহামেডানে সমালোচিত ক্যাসিনো যাত্রার শুরু হয়। ক্লাবের কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, অনেকের ইচ্ছা না থাকলেও নানা প্রভাবে ক্লাব চত্তরে ক্যাসিনো বসানোর অনুমতি দিতে বাধ্য হন তারা। 

মোহামেডান ক্লাবের বড় হল রুমটি দৈনিক ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে ভাড়া নেয় ক্যাসিনো কারবারিরা। পরে এই ভাড়া বেড়ে হয় ৭০ হাজার টাকা। ক্লাবের বাইরের দিকে দৃশ্যত রাজকীয় গেট তৈরী করে বসানো হয় দশাসই গোঁফওয়ালা এক পাহারাদার। বাইরে থেকে বোঝা না গেলেও ভেতরে প্রতিদিন সকাল থেকে প্রায় শেষ রাত পর্যন্ত চলতো অবৈধ্য ক্যাসিনো। তবে সেখানে মোহামেডানের খেলোয়াড় ও ক্লাব সংশ্লিষ্টদের প্রবেশ ছিলো নিষিদ্ধ। 

ক্লাব সংশ্লিষ্ট অনেকে জানান, ক্লাবের প্রতিদিনকার খরচ মেটোনো হতো ক্যাসিনো থেকে পাওয়া  ভাড়া টাকা থেকে। আবার অনেকের অভিযোগ, ক্লাবের ডিরেক্টর ইনচার্জ  লোকমান হোসেন ভূইয়া ও তার কয়েকজন অনুসারীর পকেটে প্রতিদনই গেছে মোটা অঙ্কের টাকা।

ক্লাব চত্তরে ক্যাসিনো বসায় মোহামেডানের অনেক খেলোয়াড় ও কর্মকর্তা ছিলেন নাখোশ। অভিমানে তারা ক্লাব আঙ্গিনায় আসাও বন্ধ করে দেন।

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *