ভোলায় অবাধে চলছে ইলিশ শিকার 

প্রকাশিত: ০৯:২১, ২৩ অক্টোবর ২০১৯

আপডেট: ১১:১৮, ২৩ অক্টোবর ২০১৯

ভোলা প্রতিনিধি: সরকারী নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভোলার মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতে চলছে ইলিশ শিকার। আইনের হাত থেকে বাঁচতে কেউ কেউ শিশুদের এ কাজে ব্যবহার করছেন। জেলেরা বলছেন, সরকারী সহযোগিতা ঠিকমতো না পাওয়ায়, তারা বাধ্য হচ্ছেন মাছ শিকারে। সেই সাথে রয়েছে ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপ। তবে জেলেদের মাঝে সরকারি অনুদান পৌঁছে দিকে কাজ চলছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় মৎস বিভাগ।

প্রজনন মৌসুমের কারণে ৯ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত এই ২২ দিন ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার। এই সময়ে বেকার হয়ে পড়া জেলেদের সহায়তায় আর্থিক প্রণোদনাসহ নানা ধরণের পদক্ষেপও নেয়া হয়েছে। কিন্তু তারপরও ভোলায় থামছে না ইলিশ শিকার। চলছে অভিনব পন্থায়। শাস্তি এড়াতে শিশুদের দিয়ে মাছ শিকার করাচ্ছে অনেক জেলে।

মৎসজীবিরা জানালেন, ভোলা জেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১ লক্ষ ৩২ হাজার। যাদের প্রত্যেকের জন্য ২২ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। কিন্তু এই চাল পাচ্ছেন ৮৮ হাজার জেলে।  তাও ১২ থেকে ১৫ কেজির বেশি না। প্রয়োজনের তুলনায় এই অনুদান খুবই কম উলে­খ করে জেলারা বলছেন, বাধ্য হয়েই মাছ শিকারে যাচ্ছেন তারা।

এদিকে, নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে ঋণের কিস্তি আদায় সাময়িক স্থগিত রাখতে স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা থাকলেও তা মানছে না এনজিওগুলো। ফলে ঋণ শোধ নিয়েও দুশ্চিন্তায় জেলেরা।

জেলা মৎস কর্তকর্তা এস এম  আজহারুল ইসলাম জানালেন, বরাদ্দকৃত চাল সকল জেলেদের কাছে পৌঁছে দেয়ার কাজ চলছে। পাশাপাশি ঋণের কিস্তি আদায় আপাতত বন্ধ রাখার পদক্ষেপও নেয়া হবে।

নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে শিশুদের দিয়ে মাছ শিকার না করাতে সব জেলেদের প্রতি আহ্বান জানান জেলা মৎস কর্মকর্তা।

এই বিভাগের আরো খবর

শাহ আমানতে দেড় কোটি টাকার সিগারেট জব্দ

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা: চট্টগ্রাম শাহ...

বিস্তারিত
মুন্সিগঞ্জে বাস-মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে নিহত ৬

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি: মুন্সিগঞ্জের...

বিস্তারিত
কুষ্টিয়া বয়লার বিষ্ফোরণে ৪ শ্রমিক দগ্ধ

কুষ্টিয়া সংবাদদাতা: কুষ্টিয়ায় একটি...

বিস্তারিত
পলিথিনে দূষিত হচ্ছে সুনামগঞ্জের পরিবেশ

সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা: সুনামগঞ্জে...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *