পিরিয়ডে যেসব খাবার খাবেন

প্রকাশিত: ১২:৩৭, ২২ অক্টোবর ২০১৯

আপডেট: ১২:৩৭, ২২ অক্টোবর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক: মাসের নির্দিষ্ট কয়েকটি দিন পিরিয়ড বা মাসিকের ফলে প্রতিটি প্রাপ্ত বয়স্ক নারীকে কিছু সমস্যার মধ্য দিয়ে পার করতে হয়। সইতে হয় শারীরিক এবং মানসিক কিছু সমস্যা। পিরিয়ডের দিনগুলোতে রক্তক্ষরণের কারনে শরীরে পুষ্টি ঘাটতি দেখা দেয়। দৈহি দুর্বলতার কারণে অনেকেই হতাশায় ভোগেন।

প্রত্যেকটি মানুষই যেমন আলাদা, তেমনি তাদের সমস্যাও আলাদা। ফলে পিরিয়ডের সময়টাতে এক এক নারীরর ভিন্নœ ধরণের সমস্যা দেখা দিতে পারে। পিরিয়ডের সময় রক্ত ক্ষরণের ফলে দেহে আয়রনের ঘাটতি দেখা দেয়। দেহ দুর্বল হয়ে পড়ে।

সময় শরীরের প্রতি অধিক যতœশীল হতে হবে। শরীর ঠিক রাখতে খাদ্যের বেলায় হতে হবে সচেতন। তা নাহলে শরীরের উপর এর দীর্ঘ প্রভাব পরতে পারে। জেনে নিন এমন কিছু খাবার সম্পর্কে যা পিরিয়ড কালীন সুস্থ থাকতে পুষ্টি ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করে।

আয়রন সমৃদ্ধ খাবার: যেহেতু রক্ত ক্ষরণের ফলে দেহে আয়রনের অভাব দেখা দেয়। তাই প্রচুর আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। মাছ, মাংস, ডিম, কলিজা, ফুলকপির পাতা, ছোলা শাক, কচু শাক, পুঁই শাক, ডাটা শাক, ধনে পাতা, তরমুজ, কালো জাম, খেজুর, পাকা তেঁতুল আমড়া খেতে পারেন। এই খাবার গুলোতে প্রচুর আয়রন থাকে।

পানি: পিরিয়ডের সময় শরীরে পানি স্বল্পতা দেখা দেয় অনেকেরই। কারণ রক্তপাতের পাশাপাশি শরীর থেকে অনেক পানি বেরিয়ে যায়। তাই পানির অভাব পূরণ করতে প্রচুর পান করতে হবে।

সামুদ্রিক মাছ: দেশের সামুদ্রিক মাছে থাকে প্রচুর পরিমাণে আয়োডিন, ভিটামিন, মিনারেল, ফ্যাটি এসিডসহ বিভিন্নপুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়। সামুদ্রিক মাছ খেতে পারলে পিরিয়ড চলাকালীন শরীরের ক্ষয় পূরণ করে এবং ব্যথা কমাতেসাহায্য করে।

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল: সুস্থ থাকতে প্রত্যেক মানুষেরই ফল খওেয়া প্রয়োজন। তবে পিরিয়ডের সময় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল বেশ উপকারে আসে। পেয়ারা, আমড়া, আমলকি, লেবু, জলপাই, জাম্বুরা, পাকা টমেটো, কামরাঙা, পাকা পেঁপে, আনারস ইত্যাদিতে প্রচুর ভিটামিন সি পাওয়া যায়। ভিটামিন সি দেহে আয়রন শোষনে সাহায্য করে।

সবুজ শাক-সবজি: খাবারের সাথে সবুজ শাক-সবজি রাখতে হগবে। এতে প্রচুর আয়রন, ভিটামিন বি থাকে, যা শরীরের ক্ষয় পূরণে সহায়তা করবে। প্রতিবেলার খাবারে সবুজ শাক-সবজি থাকলে হজম শক্তি বাড়ে। ভালোভাবে হজম হওয়া পিরিয়ডের সময় সুস্থ থাকার একটি অপরিহার্য শর্ত। তাই প্রতি বেলার খাবারে রাখুন সবুজ শাক সবজি।

ক্যালশিয়াম যুক্ত খাবার: খেতে হবে ক্যালশিয়াম, যুক্ত খাবার। এক গ্লাস গরম দুধ মাসিকের সময় আপনাকে আরাম দেবে। অনুযায়ী ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি পিএমএস এর লক্ষণ হ্রাস করে থাকে। এমনকি এই খাবারগুলো পেশী ব্যথা, পেট ব্যথা দূর করে দেয়। দুধ, দুধ জাতীয় খাবার, ডিম এই সময় খাওয়া উচিত।

কলা: পটাশিয়ামের ভিটামিনের খুব ভালো উৎস কলা। এই উপাদান পিরিয়ডের সময় আপনার জন্য জরুরি। এই সময় প্রতিদিনকার খাদ্য তালিকায় একটি কলা রাখুন।

প্রোটিন: এসব খাবারের সাথে ডাল, ডিম, মাছ, মাংস খাদ্যতালিকায় রাখুন। প্রোটিন ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার আগ্রহ কমিয়ে দেয়।

বীজ জাতী খাবার: বাদামে যে ভিটামিন খনিজ উপাদান রয়েছে, তা পিরিয়ডের সময় শরীরের জন্য ভালো। চীনা বাদাম, কাজু বাদাম, কাঠ বাদাম, পেস্তা, আখরোট ইত্যাদি পিরিয়ড জনিত শরীরের ঘাটতি পূরণে করে। তবে বাড়তি লবণে ভাজা বা চিনিতে জড়ানো বাদাম খাওয়া যাবেনা।

এই বিভাগের আরো খবর

৫ বছর আগেই জানা যাবে স্তন ক্যান্সার

অনলাইন ডেস্ক: স্তন ক্যানসার এক ঘাতক...

বিস্তারিত
ক্যান্সারসহ নানা রোগের প্রতিকার তেতুলে

অনলাইন ডেস্ক: তেঁতুলের কথা শুনলেই...

বিস্তারিত
মেরুদণ্ড ভালো থাকে যে খাবারে

অনলাইন ডেস্ক: মানবদেহের জন্য অতি...

বিস্তারিত
স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানে নারিকেল তেল

অনলাইন ডেস্ক: নারিকেল তেল কি শুধু...

বিস্তারিত
এই শীতে হাঁপানি থেকে বাঁচার উপায়

অনলাইন ডেস্ক: শীতের আবহাওয়ায় অনেকেরই...

বিস্তারিত
নিম পাতার ভেষজ গুণ

অনলাইন ডেস্ক: নিম একটি ভেষজ উদ্ভিদ।...

বিস্তারিত
উচ্চ রক্তচাপ কমাতে তিলের তেল

অনলাইন ডেস্ক: উচ্চ রক্তচাপকে বলা হয়...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *