গণপূর্তের অনেক প্রকৌশলী ঠিকাদারির কাজ করান

প্রকাশিত: ১০:০১, ২০ অক্টোবর ২০১৯

আপডেট: ০১:০২, ২০ অক্টোবর ২০১৯

জয়দেব দাশ: গণপূর্ত বিভাগের প্রধান কার্যলায় থেকে মাঠ পর্যায় পর্যন্ত প্রতি স্তরেই ঘুষ বাণিজ্যের বিষয়টি ওপেন সিক্রেট। টেন্ডারবাণিজ্য বন্ধে সরকার ইজিপি পদ্ধতি চালু করলেও বন্ধ হয়নি এই খাতের অনিয়ম দুর্নীতি। ভুক্তভোগিদের দাবি প্রকৌশলীকে ম্যানেজ করতে না পারলে কাজ পাওয়া যায় না। 

এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কাজের প্রাক্কলন মূল্য প্রকৌশলী জানান শুধুমাত্র তার পছন্দের ঠিকাদারকেই। এছাড়াও অনেক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে নিজের আত্মীয় স্বজনকে দিয়ে ঠিকাদারি কাজ করানোরও অভিযোগ আছে। 

গণপূর্ত বিভাগের উন্মুক্ত ও সীমিত দরপত্র এবং রাষ্ট্রের অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের প্রয়োজনে জরুরী কাজ করানোর নামে লুটপাট হচ্ছে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা। এই লুটপাটের ভাগ চলে যায় মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-প্রকৌশলী থেকে শুরু করে সংস্থার প্রধান কর্তার পকেট পর্যন্ত। কাজ বন্টনের সময়ই উৎকোচের টাকা পরিশোধ করতে হয় ঠিকাদারদের। 

ঠিকাদারদের কাছে থেকে এই ভাগবাটোয়ার বিষয়টি কাজের ধরণ অনুযায়ী ঠিক করা থাকে আগে থেকেই। সংস্কার কাজে লাভ বেশী হয় বলে এর দিকে ঝোঁক থাকে ঠিকাদার প্রকৌশলী দুই পক্ষেরই। এধরনের একটি কাজ পেতে শুধু নির্ধারিত হারে টেবিলে টেবিলে টাকা দিলেই মেলে ওয়ার্ক অর্ডার। 

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পূর্ত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী সাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, কোন প্রকৌশলীর বিরুদ্ধ সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এসময় নিজের বিরুদ্ধে বদলি বাণিজ্যের অভিযোগও অস্বীকার করেন তিনি।   

বড় কাজের দরপত্র ইজিপিতে আহ্বান করার তথ্য প্রধান প্রকৌশলী জানালেও সীমিত দরপত্র ও জরুরি কাজের নামে সরকারি অর্থ লুটপাটের চিত্র আজও বদলায়নি পূর্ত বিভাগের। 


 

এই বিভাগের আরো খবর

চালের বাজারও অস্থির, কেজিতে বেড়েছে ৫ টাকা

ইউসুফ রানা: আবারো চালের দাম বেড়েছে।...

বিস্তারিত
ভয়াল ১২ই নভেম্বর আজ

ডেস্ক প্রতিবেদন: ভয়াল ১২ই নভেম্বর আজ।...

বিস্তারিত
সুন্দরবন বার বার রক্ষা করছে উপকূলবাসীকে

আমিনুল ইসলাম মিঠু: ঘূর্ণিঝড় বুলবুল...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *