স্বর্ণ চোরাচালানে এয়ারলাইন্স কর্মীরা, মূল চক্র ধরাছোঁয়ার বাইরে

প্রকাশিত: ০৯:৫৭, ১০ অক্টোবর ২০১৯

আপডেট: ১২:২১, ১৪ অক্টোবর ২০১৯

রীতা নাহার: স্বর্ণ চোরাচালানে দেশি বিদেশি এয়ারলাইন্সের ক্রু ও কর্মীদের নিরাপদ বাহক মনে করছে চোরাকারবারীরা। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলোতে উড়োজাহাজ হয়ে বিমানবন্দরের বাইরে স্বর্ণ পাচার করতে ক্রুদের ব্যবহার করা হচ্ছে। বাহক আটক হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছে পাচারকারীদের মূল চক্র।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২০১৩ সালের ২৪ জুলাই ধরা পড়ে ১২৪ কেজি স্বর্ণের  সবচে বড় চালান। উড়োজাহাজের কার্গো হোল কেটে উদ্ধার করা হয় এসব স্বর্ণ। এ ঘটনায় আটক ১৪ জনের ১০জনই বিমানকর্মী। এ বছরের ১৮ মার্চ সৌদি এয়ারলাইন্সের দুই নারী কেবিন ক্রু ৩৬টি স্বর্ন বার নিজেদের শরীরে বহন করে বিমানবন্দরে ধরা পড়ে। আটক স্বর্ণের পরিমাণ ৫কেজি। এদিকে, ৫ সেপ্টেম্বর একইভাবে ১০কেজি ওজনের স্বর্ণ নিজের শরীরে বহন করার সময় আইনশৃংখলাবাহিনীর হাতে আটক হয় ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের নারী কেবিন ক্রু।

গোয়েন্দা তৎপরতায় দেশি বিদেশি এয়ালাইন্সের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীরা ধরা পড়ছে স্বর্ণ চোরাচালানের ঘটনায়। আটক হয়েছে বিমানবন্দরেরও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মী। এসব ঘটনায় সবচে বেশি আটক হয়েছে বিমানের প্রকৌশল বিভাগ, কার্গো, গ্রাউন্ড সার্ভিস থেকে শুরু করে পরিচ্ছন্নতা কর্মী পর্যন্ত। সংশি¬ষ্টরা বলছেন, নিরাপদ বাহক হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে এয়ারলাইন্স সংস্থার ক্রু ও কর্মীরা।

স্বর্নের বার প্রতি মাত্র এক থেকে দুই হাজার টাকার বিনিময়ে বাহক হিসেবে কাজ করছেন এসব ক্রু ও কর্মীরা। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এরাও জানেন না নেপথ্যের মূল হোতা কারা? আটক হওয়ার পরে বাহকেরাও বের হয়ে আসেন জামিনে।

এ বিষয়ে কথা বলতে এয়ারলাইন্সসহ সংশি¬ষ্টদের নিয়ে শিগগিরই বসবেন বলে জানিয়েছেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব।
বিমানবন্দরের নিরাপত্তা সংশি¬ষ্ট প্রতিটি সংস্থার সমন্বয় আরো জোরদার করতে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এই বিভাগের আরো খবর

সুনামগঞ্জে শিশুকে নির্মমভাবে হত্যা

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের...

বিস্তারিত
কুমিল্লায় ব্যবসায়ী হত্যা; ৯ জনের ফাঁসি

কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লার...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *