রোয়িং: মনের টানে খেলেন ক্রীড়াবিদরা 

প্রকাশিত: ১০:১৪, ০৬ অক্টোবর ২০১৯

আপডেট: ১১:১৭, ০৬ অক্টোবর ২০১৯

তৌহিদুল আলম: আর্থিক সঙ্কট ও পর্যাপ্ত প্রণোদনার অভাবকেই রোয়িং ফেডারেশনের খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলার কারণ হিসেবে অনেকে চিহ্নিত করেন। খেলাটির অনুশীলনের জন্য নেই কোন স্থায়ী  লেক ও বোট হাউস। সকল প্রতিকূলতা সত্ত্বেও খেলাটি চালিয়ে যেতে চান ক্রীড়াবিদরা। 

প্রতিষ্ঠার পর ৪৫ বছর পেরিয়েছে রোয়িং ফেডারেশনের। এখন সরকারি অভিভাবক সংস্থা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ বছরে বরাদ্দ দেয় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা। টাকাটা বছরজুড়ে তিন ধাপে দেয়। একিছু বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় কোন রকমে চলছে ফেডারেশনের কার্যক্রম।

আর্থিক সঙ্কট থাকলেও ২০১৪ সালে আন্তজার্তিক রোয়িং বোর্ডের সহযোগিতায় তাইওয়ানে প্রশিক্ষণ নেন দুইজন খেলোয়াড় ও একজন  কোচ। 

গাজীপুরের ইসোর গ্রামের এই দৃশ্য বলে অনেক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও নিয়মিতভাবে অনুশীলন করেন উদীয়মান খেলোয়াড়রা। 

ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ ছাড়াও  ইন্ডোর রোয়িং অনুশীলনেও আগ্রহ বাড়ছে খেলোয়াড়দের। 

এই খেলায় কোন ভবিষ্যত নেই, আছে কেবল অনিশ্চয়তা। তাই ব্যক্তিগত আগ্রহ ও ভাললাগা  থাকা সত্ত্বেও অনেক খেলোয়াড় পিছিয়ে এসেছেন এই খেলার জগত থেকে । 

কঠিন বাস্ততার পরও যারা আছেন খেলোয়াড়রা, তাদের বিশ্বাস পর্যাপ্ত সুযোগ পেলে আন্তর্জাতিক অংগন থেকে দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনত পারবেন তারা।


 

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *