খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে শরীরগঠন ফেডারেশন

প্রকাশিত: ১০:৩৮, ০৫ অক্টোবর ২০১৯

আপডেট: ০৫:৩৬, ০৫ অক্টোবর ২০১৯

ইমদাদুল্লাহ বাবু: সরকার জনগণের প্রায় ৭ লাখ টাকা বছরে ব্যয় করে খুঁড়িয়ে চলা শরীরগঠন ফেডারেশনের জন্য। এছাড়াও  প্রতিযোগিতার আসর জমলে বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকদের কিছু টাকাও আসে। খেলোয়াড়দের কোন পারিশ্রমিক নেই। ভালো খোলেয়াড় হলে তাদের সামান্য সম্মানী দেয় আনসার বাহিনী।

চার বছর পর অর্ধশত বছর পূর্ণ করবে শরীরগঠন ফোডারেশন। কিন্তু নিজের তেমন গচ্ছিত অর্থ নেই। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় ফেডারেশনটিকে। তার সিংহভাগ ফেডারেশন পরিচালনায় ব্যয় হয়। একাউন্টেন্ট, জিম ডিরেক্টর, ট্রেইনার, অফিস সহকারী ও অফিস সহায়ক এই পাঁচ পদে ৫ জনের বেতন বাবদ ব্যয় মাসে প্রায় ৪ লাখ টাকা। বাকি টাকায় চলে অন্যান্য কার্যক্রম। কোন আসর আয়োজন হলে ৭ লাখ টাকায় বেঁচে যাওয়া কিছু অর্থের সাথে স্পন্সরদের টাকা যোগ করে। সহযোগী প্রতিষ্ঠান ছাড়া বিদেশে যাওয়া কল্পনার বাইরে।

শরীরগঠন ব্যয়বহুল খেলা। ভাল খাবার চাই, ভাল সরঞ্জাম দরকার ভাল অনুশীলনের জন্য।  কিন্তু ফেডারেশনের কোন সহায়তা নেই। শুধু ভালো খেললে আনসারের বাছাই তালিকায় নাম ওঠার সুযোগ আছে।

ফটিক দত্ত ও বুলুদের পর বহু বছর পেরিয়েছে। আকর্ষণীয় শরীর গঠনে এখন আমিষ নির্ভর সাপ্লিমেন্ট ফুডও দরকার। সীমাবদ্ধতার মাঝেই নিজের চেষ্টায় নিয়ম মেনে নিজেদের প্রস্তুত করছেণ নতুন প্রজন্মের কয়েকজন বডি বিল্ডার।

কঠিন বাস্তবতা খেলোয়াড়দের পরিবারকেও নিরুৎসাহিত করে এমন খেলার ব্যাপারে।  

জৌলুসহীন বাস্তবতা একদিন পাল্টাবে, সুদিন আসবে শরীর গঠনে, এই আশাই শরীর গঠন খেলোয়াড়দের অনুপ্রেরণা।  

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *