চাঁদাবাজি: সার্জেন্ট জীবন ও নিজামসহ তিন জনকে অব্যাহতি

প্রকাশিত: ০৬:৩০, ০২ অক্টোবর ২০১৯

আপডেট: ১০:৪০, ০২ অক্টোবর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: ট্রাফিক পুলিশের চাঁদাবাজি নিয়ে বৈশাখী টেলিভিশনে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ার পর সার্জেন্ট জীবন, সার্জেন্ট নিজাম ও কনস্টেবল ইয়াকুবকে নিজ নিজ দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তাদের ডিএমপির ট্রাফিক অফিস দক্ষিণে সংযুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার ( ০২ অক্টোবর) বিকেলে ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের এক আদেশে এ তথ্য জানা গেছে। 

ঢাকা দক্ষিণের ডিসি (ট্রাফিক) জানান, ‘সার্জেন্ট জীবন, সার্জেন্ট নিজাম ও কনস্টেবল ইয়াকুবের বিরুদ্ধে রাজধানীতে বিভিন্ন যানবাহন থেকে মাসিক হারে চাঁদা আদায় ও চালকদের হয়রানির অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিক তদন্ত চলছে। তদন্তে অভিযোগের প্রমাণ মিললে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ 

উল্লেখ্য, রাজধানীতে ট্রাফিক পুলিশের কতিপয় সার্জেন্টের হাতে চাঁদাবজি ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন যানবাহনের চালক-মালিকরা। এ নিয়ে বৈশাখী টেলিভিশনে গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ০১ অক্টোবর পর্যন্ত তিনটি ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচার করা হয়। এতে সার্জেন্ট জীবন, নিজাম ও কনস্টেবল ইয়াকুবের গাড়ি থেকে চাঁদাবাজি ও টাকা না দিলে চালকদের হয়রানির নানা তথ্য প্রমাণ উঠে আসে। 

এসব প্রতিবেদনে আরো উঠে আসে, এসব ট্রাফিক সার্জেন্টের কারণেই সড়কে যানজট ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। সার্জেন্টদের কেউ কেউ টাকা আদায়ে অভিনব পন্থা অবলম্বন করেন। 

সম্প্রতি রাজধানীর চানখারপুল মোড়ে হানিফ ফ্লাইওভার দিয়ে আসা প্রাইভেটকার, পিকআপ মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন আটক করে চালকদের কাছ থেকে ট্রাফিক পুলিশের টাকা নেয়ার দৃশ্য ধরা পড়ে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই এলাকায় কয়েকমাস ধরে দায়িত্ব পালন করছেন ট্রাফিক সার্জেন্ট জীবন। তার নির্দেশে সাথে থাকা ট্রাফিক কনস্টেবলরা টাকা আদায় করেন বিভিন্ন গাড়ি থেকে। দিন শেষে সেই টাকা ভাগ বাটোয়ারা হয় তাদের মধ্যে।

টাকা না দিলে গাড়ি আটকে রাখাসহ নানাভাবে হয়রানি করা হয় চালক ও মালিকদের। এই পথে নিয়মিত চলাচল করে এমন বাস ও পিকআপ ভ্যান চালকদের সাথে থাকে অলিখিত চুক্তি। যা তাদের মধ্যে মাসিক নামে পরিচিত। সার্জেন্ট জীবন এই এলাকার দায়িত্বে আসার পর টাকা নেয়ার এই চুক্তিপ্রথা চালু হয় বলে জানা গেলো চালকদের কাছ থেকে।

অনুসন্ধানে পাওয়া এসব অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে সবকিছু অস্বীকার করেন জীবন।

চানখারপুল এলাকার ট্রাফিক সার্জেন্টদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ যায় ট্রাফিক বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তাদের কাছেও। সেখানে গোপনে নজরদারি চলছে বলে জানান ট্রাফিক পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার।

এসব অভিযোগ ছাড়াও সার্জেন্ট জীবনের বিরুদ্ধে আরো কিছু অভিযোগের সত্যতা মিলেছে বৈশাখীর অনুসন্ধানে।

এই বিভাগের আরো খবর

আবরার হত্যা মামলার চার্জশিট আদালতে গ্রহণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ প্রকৌশল...

বিস্তারিত
রিফাত হত্যায় ১৪ আসামির অভিযোগ গঠন আজ

অনলাইন ডেস্ক: রগুনায় রিফাত শরীফ...

বিস্তারিত
সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের বয়স ৬০

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি চাকরিতে...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *