গাইবান্ধায় আধুনিক পদ্ধতিতে চলছে মাছ চাষ

প্রকাশিত: ১১:১৫, ০২ অক্টোবর ২০১৯

আপডেট: ১১:১৫, ০২ অক্টোবর ২০১৯

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার কুঞ্জমহিপুর গ্রামের সুলতান মাহমুদ ফলার। তার সাফল্য দেখে এলাকার অনেকেই আগ্রহী হয়েছে মাছ চাষে। এদিকে, জেলায় মাছ চাষ বাড়াতে সব ধরণের সহযোগিতার কথা জানিয়েছে মৎস্য বিভাগ।

২০০৭ সালে একটি পুকুর দিয়ে বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ শুরু করেন গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদুলপুর ইউনিয়নের সুলতান মাহমুদ ফলার। বর্তমানে তার রয়েছে ছোট-বড় ৩২টি পুকুর ও একটি হ্যাচারি। যা এলাকায় গুলশানারা ফিশ ফার্ম এন্ড হ্যাচারি নামে পরিচিত।

তার পুকুরের রয়েছে টেংরা, পাবদা, কৈ, শিং, দেশি মাগুর, বাটা, রুই, পাঙ্গাসসহ বিভিন্ন ধরণের মাছ। এসব মাছ বিক্রি করে বছরে আয় করছেন ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা। আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষের পাশাপাশি এখন নিজের হ্যাচারিতে উৎপাদন করছেন বিভিন্ন প্রজাতির মাছের রেনুপোনা। যা দিয়ে নিজের ও পাশ্ববতী এলাকার পোনার চাহিদাও পূরণ হচ্ছে ক্ষলে জানান সুলতান মাহমুদ ফলার।

এছাড়া সুলতানের হ্যাচারিতে কাজ করে কর্মসংস্থান হয়েছে ওই এলাকার অনেকের। সুলতানের সাফল্য দেখে ওই এলাকার অনেকেই এখন মাছ চাষ করছেন।

এদিকে, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুস দাইয়ান জানালেন, জেলার মাছের চাহিদার একটি বড় অংশের যোগান দিচ্ছে সুলতান মাহমুদ। মাছ চাষে নতুন উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এ ধরণের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে বলেও মনে করেন এই মৎস্য কর্মকর্তা।

এই বিভাগের আরো খবর

নড়াইলে পান চাষে লাভবান কৃষকরা

নড়াইল প্রতিনিধি: অনুকূল আবহাওয়ায়...

বিস্তারিত
টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: দূষণের কারণে...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *