যানবাহন থেকে টাকা আদায়ের নতুন প্রথা মাসিক চুক্তি

প্রকাশিত: ১১:১০, ০১ অক্টোবর ২০১৯

আপডেট: ১২:৩৬, ০১ অক্টোবর ২০১৯

আশিক মাহমুদ: সাধারণ মানুষ ও গণমাধ্যমের চোখ এড়াতে গাড়ির চালক ও মালিকদের সাথে মাসিক চুক্তি করে কিছু ট্রাফিক সদস্য। একজন ট্রাফিক সার্জেন্টের ২০ থেকে ৫০টি গাড়ির সাথে চুক্তি থাকে। প্রতিমাসে একটি দুই হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত নেয় তারা। ঢাকাসহ সারাদেশেই এই নতুন প্রথায় টাকা দিতে হয় বলে অভিযোগ করেন গাড়ির চালক ও মালিকরা।

যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক ও পিকআপ ভ্যান রাস্তায় নামলেই পুলিশকে টাকা দিতে হয়, এমন অভিযোগ পুরনো। শহরের ভেতরে কিংবা মহাসড়কে নানা ঘাটে টাকা দেয়ার অভিযোগ করেন চালকরা। নানা সময় এ নিয়ে সংবাদ হওয়ায় এখন নতুন পদ্ধতি চালু হয়েছে।

চালকরা জানান, ঘাটে ঘাটে টাকা না দিয়ে এখন মাসিক চুক্তিতে টাকা দিতে হয় তাদের। পরিচয় গোপন রাখার শর্তে বিষয়টি বৈশাখী টেলিভিশনকে জানিয়েছে খোদ ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরাই।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, ট্রাফিক পুলিশের অসাধু সদস্যরা সিন্ডিকেট করে এভাবে টাকা আদায় করছে। কাগজপত্র ত্রুটি থাকলেও এই চুক্তির কারণে নির্বিঘ্নে রাস্তায় চলছে সেসব যানবাহন। একেকজন ট্রাফিক সার্জেন্টের সাথে ২০ থেকে ৫০টি গাড়ির চুক্তি হয়। প্রতিটি গাড়ি থেকে মাসে দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত নেয় তারা।

গাড়ির চালকরা বলছেন, মাসিক চুক্তি ছাড়া রাস্তায় গাড়ি চালানো যায়না। চুক্তি না থাকলে গাড়ির কাগজপত্র ঠিক থাকলেও নানাভাবে হয়রানি করে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা।

তবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, মাসিক টাকা আদায়ের বিষয়টি সম্পর্কে তাদের জানা নেই।

এ সময় ট্রাফিক বিভাগের ভাবমূর্তি নষ্ট করার সাথে জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে সতর্ক করেন তিনি।

এই বিভাগের আরো খবর

ছাত্র রাজনীতির সংস্কার চান সাবেক নেতারা

নিজস্ব প্রতিবেদক: নৈতিক অবক্ষয়ের...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *