ঘুড়ি ফেডারেশনে সবচেয়ে কম সরকারি বরাদ্দ

প্রকাশিত: ১০:৩৬, ০১ অক্টোবর ২০১৯

আপডেট: ১২:৩৭, ০১ অক্টোবর ২০১৯

কাজী বাপ্পা: জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অন্তর্ভূক্ত সংগঠনগুলোর মধ্যে শুধু বাংলাদেশ ঘুড়ি ফেডারেশনের জন্য বার্ষিক সরকারি বরাদ্দের পরিমাণ মোট বাজেটের শূণ্য দশমিক ৩২ শতাংশ। যা টাকার অংকে পৌণে দু’লাখের কিছু বেশি। এই সামান্য অর্থ সংগঠনের ভবিষ্যৎকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে। মৃত প্রায় এই প্রতিষ্ঠানটিকে গতিশীল করতে বিশেষজ্ঞদের রয়েছে নানা পরামর্শ।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের জন্য ১’শ কোটি ৫১ লাখ ৯২ হাজার ২১৭ টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার। তার মধ্যে বাংলাদেশ ঘুড়ি এসোসিয়েশনের জন্য বার্ষিক বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। চলতি অর্থ বছরে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ কমিয়ে প্রায় ১’শ কোটি ৪৯ লাখ টাকা করায় কমে আসে ঘুড়ি এসোসিয়েশনের জন্য বরাদ্দের পরিমানও।

শুধু বার্ষিক এই সরকারি বরাদ্দের ওপর নির্ভর করে জাতীয় পর্যায়ে উৎসবের আয়োজন এবং আন্তর্জাতিক উৎসবে অংশ নেয়ার বিষয়ে এসোসিয়েশনের রয়েছে আক্ষেপের জায়গা।

শত বাধা স্বত্ত্বেও দেশীয় সংস্কৃতি নির্ভর ঘুড়ি এসোসিয়েশনকে টিকিয়ে রাখতে দেশের ক’জন ক্রীড়া জগত বিশেষজ্ঞদের রয়েছে নান পরামর্শ।

দেশের সভ্যতা ও সংস্কৃতির সাথে ঘুড়ি খেলার সম্পর্ক দেখেন বোদ্ধারা। এমন একটি খেলার এসোসিয়েশনের ভবিষ্যত নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখে উদ্বিগ্ন হন তারা। তেমন লক্ষ্যণীয় কর্মকান্ড না থাকায় এই সংগঠন যেন থেকেও মৃত প্রায়। তবে, এসোসিয়েশনের কর্মকান্ড গতিশীল করা গেলে সংগঠন ও ঘুড়ি খেলার বাস্তবতাকে সন্তোষজনক অবস্থায় নিয়ে যাওয়া অসম্ভব নয় বলে মনে করেন ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *