৫০ গাড়ি থেকে মাসে প্রায় ২ লাখ টাকা নেন সার্জেন্ট জীবন

প্রকাশিত: ০৯:৪৪, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

আপডেট: ০৬:৪৯, ১৪ অক্টোবর ২০১৯

আশিক মাহমুদ: টেলিভিশন ও মোবাইল ক্যামেরার আধিক্য হওয়ায় সড়কে চাঁদাবাজি ও গাড়ি থামিয়ে টাকা আদায়ের কৌশল পরিবর্তন করেছে সার্জেন্ট জীবন। কনস্টেবলদের দিয়ে টাকা আদায় ও মাসিক চুক্তিতে টাকা নেন তিনি। 

পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে যোগ দেয়ার কিছুদিন পরই দুই লাখ টাকা দামের মোটরবাইক কেনেন সার্জেন্ট জীবন। তবে কোন কাগজপত্র নেই। নাম্বার প্লেটে পুলিশের স্টিকার লাগিয়ে হেলমেট ছাড়াই দাপিয়ে বেড়ান গোটা ঢাকা শহর।

লাগবাগ জোনের চানখারপুল মোড় ও একুশে হলের সামনের এলাকাতেই বেশি সময় দেখা যায় তাকে।

একুশে হলের সামনে শান্ত এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ভাঙ্গারির দোকানের ভিতরে বসেন জীবন। গাড়ি আটকের পর চালকের সাথে সেখানেই হয় দেন-দরবার। গাড়ির কাগজ না দেখাতে পারলে মামলা দেয়ার কথা। কিন্তু তা না করে লেনদেনে রফা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কিছু গাড়ির চালক ও মালিকদের কাছ থেকে এই ট্রাফিক সার্জেন্ট টাকা নেন মাসিক চুক্তিতে। লালবাগ এলাকায় মাসিক চুক্তি করা অন্তত ৫০টি গাড়ি রয়েছে তার। প্রতি গাড়ি থেকে মাসে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা নেন তিনি। এমন চুক্তি করা বেশ কয়েকটি গাড়ির সন্ধান পায় বৈশাখীর টিম।

এসব অভিযোগ সম্পর্কে সার্জেন্ট জীবনের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি সরাসরি কথা বলতে চাননি। তবে এই প্রতিবেদকের কাছে দাবি করেন তিনি এসবের সাথে জড়িত নন, স্যারেরা তাকে পছন্দ করেন।

তদন্ত করে প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ।

রাজধানীসহ সারা দেশে এমন মাসিক চুক্তিতে গাড়ির চালক ও মালিকদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে ট্রাফিক পুলিশের কোন কোন সদস্যের বিরুদ্ধে।
 

এই বিভাগের আরো খবর

বিশ্ব মান দিবস আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ সোমবার ১৪...

বিস্তারিত
ছাত্র রাজনীতির সংস্কার চান সাবেক নেতারা

নিজস্ব প্রতিবেদক: নৈতিক অবক্ষয়ের...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *