সমঝোতার ভিত্তিতে জিপি ও রবির বকেয়া আদায়: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৪:২১, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

আপডেট: ১০:৫৪, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: রবি ও গ্রামীণফোনের কাছ থেকে সরকারের রাজস্ব ও বিটিআরসির পাওনা আদায়ে অ্যাকশনে নয়, আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে সমাধান করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ. হ. ম. মুস্তফা কামাল। তবে পাওনার বিষয়ে কোন ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।  এই পাওনা আদায়ের বিষয়টি আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই নিষ্পত্তি করা হবে। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যেই একটি ‍সুন্দর সমাধান হবে। আমরা নিজেরা হারবো না, কাউকে হারাবো না।

বুধবার ( ১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে বিটিআরসি, ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার, গ্রামীন ফোন এবং রবির সাথে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ ও রবি গত ২২ বছর ধরে নিয়মিতভাবে ভ্যাট. ট্যাক্স ও বিটিআরসির পাওনা পরিশোধ করে আসছিল। এরমধ্যে, বিভিন্নভাবে গ্রামীণের কাছে চার থেকে সাড়ে চার হাজার ও রবির কাছে আটশ’ থেকে সাড়ে আটশ’ কোটি টাকার দাবি আছে। এ দুটি অপারেটরের কাছে আবার বিটিআরসির পাওনা সুদসহ আট হাজার কোটি টাকা।

তিনি বলেন, রাজস্ব বাবদ গ্রামীণের কাছে যে চার হাজার কোটি টাকা পাওনা তা এডিআর’র মাধ্যমে নিষ্পত্তির অপেক্ষা আছে। আর বিটিআরসির যে পাওনা, তা আলোচনার ভিত্তিতে নিষ্পত্তি হবে। আমরা মনে করেছি, আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে আসা উচিত।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, কিছু ভুল বোঝাবুঝির কারণে দুই অপারেটরের সঙ্গে সরকারের সম্পর্কের অবনতি ঘটতে যাচ্ছিল। এ অবস্থা চলমান থাকলে আমাদের ক্ষতি হতো, আমরা রাজস্ব হারাতাম। তারা ব্যবসা করবে, আমরা নিজেদের পাওনা বুঝে নেবো। তারা (দুই অপারেটর) যে মামলা করেছে, সে মামলা তারা প্রত্যাহার করে নেবে। অপরদিকে সরকারের তরফ থেকে যে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, তা প্রত্যাহার করা হবে।

অর্থমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে আমরা যে সিদ্ধান্ত নেবো তা কখনোই দেশের স্বার্থের বিপক্ষে যাবে না।

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, গতকাল থেকে দৃশ্যপট বদলে গেছে, বিটিআরসির সঙ্গে দেনা-পাওনার বিরোধ আমরা খুব অল্প সময়ের মধ্যে আলোচনার ভিত্তিতে মিটিয়ে নেবো। মোবাইল কোম্পানিগুলো জাতীয় অর্থনীতিতে এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিশাল ভূমিকা রাখছে। গত ২২ বছরে এ দুটি অপারেটরের সঙ্গে এই পাওনা ছাড়া আর কোনও বিষয় নিয়ে বিরোধ হয়নি। আমরা ব্যবসার সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই, তবে জাতীয় স্বার্থ উপেক্ষিত হতে পারে না। পারস্পরিক আলোচনার মধ্য দিয়ে আমরা বিষয়টি নিশ্চিত করবো।

এনবিআর’র চেয়ারম্যান জানান, গ্রামীণফোন চেয়েছিল আরবিট্রেশনের মাধ্যমে বিরোধ মীমাংসা করতে। তবে বিটিআরসির আইনে আরবিট্রেশনের কোনও সুযোগ না থাকায়, তাদের প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়নি।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস, গ্রামীণফোনের সিইও মাইকেল ফোলি, রবির সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ।

এই বিভাগের আরো খবর

‘নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ’

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ বিশ^ খাদ্য দিবস।...

বিস্তারিত
গুলশানে এবি ব্যাংকের কার্যালয়ে আগুন

রিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর গুলশানে...

বিস্তারিত
গোপালগঞ্জে আগ্রহ বাড়ছে কচুর লতি চাষে

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জে...

বিস্তারিত
‍‍"খেলাপী ঋণ ইচ্ছা করেই শোধ করা হচ্ছে না"

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে প্রকৃত ঋণ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *