সুন্দরবনের অন্যতম আকর্ষন কটকা সমুদ্র সৈকত

প্রকাশিত: ০৭:৫২, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

আপডেট: ০৭:৫২, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক: কটকা সমুদ্র সৈকত সুন্দরবনের আকর্ষনীয় স্থানগুলোর একটি। এটি সুন্দরবনের দক্ষিন পূর্বকোনে অবস্থিত। কটকা মংলা বন্দর থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং সুন্দরবন পূর্ব অভয়ান্যের মধ্যে প্রধান কেন্দ্র।

এখানে রয়েছে সুন্দরবনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার। তবে বাঘের দেখা পাওয়া ও নিরাপদে থাকা এ দুই-ই সম্ভব সুন্দরবনের চমৎকার পর্যটন কেন্দ্র কটকা অভয়ারণ্য থেকে। এ ছাড়া মনোরম চিত্রা হরিণের দল, বিভিন্ন জাতের পাখি, শান্ত প্রকৃতি এবং বিভিন্ন বন্য প্রাণীর উপস্থিতির কারণে পর্যটকদের পছন্দের তালিকায় কটকা অভয়ারণ্য।

কটকাতে বন বিভাগের একটি রেস্ট হাউস আছে। রেস্ট হাউসে লঞ্চ থেকে ওঠার জন্য এখানে কাঠের জেটি আছে। এ জেটি বেয়ে কিছু দুর হাটলেই রেষ্ট হাউস। এর সামনেই দেখা যায় সাগরের অথৈ জল রাসির বিশাল বিশাল ঢেউ। এর আশ পাশে রয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় খাল। এসব খালে নৌকা নিয়ে ভ্রমন খুবই মজাদার। খালের ধারে দেখা যায় দলে দলে চিত্রল হরিণ চরে বেড়াতে। এছাড়া বানর, উদবিড়াল ও বন মোরগ দেখা যায়। মাঝে মাঝে বাঘের গর্জন ও শোনা যায়। অন্ধকার রাতে লক্ষ কোটি জোনাকীর আলোর মেলা মুগ্ধ ও বিমোহিত করে তোলে। কটকা বন বিভাগ কার্যালয়ের পেছন দিক থেকে সোজা পশ্চিমমুখী কাঠের তৈরি টেইলের উত্তর পাশের খালটির ভাটার সময় ম্যানগ্রোভ জাতীয় উদ্ভিদের ঘন শ্বাসমূল দেখা যায়। বনের দক্ষিণে কিছুক্ষণ হাঁটলে চোখে পড়বে পরপর তিনটি টাইগার টিলা। এ টিলায় প্রায়ই বাঘের পায়ের ছাপ দেখা যায়।

কটকার জামতলা ওয়াচ টাওয়ার থেকে দেখা যায় বন্য প্রাণীর অপুর্ব দৃশ্য, হরিণ পালদের বিচরণ, শুকরের ছোটাছুটি ,বানরের কারসাজি, বাঘের হরিণ শিকার কিংবা রাজকীয় ভঙ্গিতে বাঘের চলার দৃশ্য ইত্যাদি পর্যটকদের ভীষণ ভাবে আকৃষ্ট করে।

খরচ

কটকা অভয়ারণ্য এলাকায় প্রত্যেক দেশী পর্যটকের প্রতিদিনের ফ্রি ১৫০ টাকা, ছাত্র-ছাত্রী ৩০ টাকা, বিদেশী পর্যটক ১৫০০ টাকা। অভয়ারণ্যের বাইরে দেশী পর্যটক ৭০ টাকা ও বিদেশী পর্যটক ১০০০ টাকা, ছাত্র-ছাত্রী- ২০ টাকা, গবেষক ৪০ টাকা।

কটকা যাওয়ার উপায়

কটকায় বেড়াতে যাবার প্রধান ও একমাত্র মাধ্যম হলো লঞ্চ। আর পর্যটকদের নিয়ে এই লঞ্চ নোঙ্গর করা হয় কটকা খালে। রাজধানী ঢাকার গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে খুলনা, বাগেরহাটগামী বাস কিংবা কমলাপুর ট্রেনে করে খুলনা আসতে হবে প্রথমে।

ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে করে বাগেরহাটে পৌঁছাতে পারবেন। ঢাকা থেকে বাগেরহাটে চলাচলকারী বাসগুলোর মধ্যে রয়েছে মেঘনা পরিবহন, পর্যটক পরিবহন যা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে ছেড়ে যায়। এছাড়া ঢাকার গাবতলি বাস টার্মিনাল থেকে ছাড়ে সাকুরা পরিবহন।

এই বিভাগের আরো খবর

ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি

অনলাইন ডেস্ক: কমনওয়েলথ সমাধিক্ষেত্র...

বিস্তারিত
আলুটিলা গুহা: রোমান্সকর অভিজ্ঞতা

ডেস্ক প্রতিবেদন: আলুটিলা গুহা...

বিস্তারিত
সমুদ্র গর্ভে বিলীন হচ্ছে কুতুবদিয়া দ্বীপ 

কক্সবাজার প্রতিনিধি: সমুদ্রের পানির...

বিস্তারিত
কাশ্মীর ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হল

ভ্রমণ ডেস্ক: প্রায় দুই মাস অবরুদ্ধ...

বিস্তারিত
সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক 

ভ্রমণ ডেস্ক: সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক...

বিস্তারিত
রাঙ্গামাটি ভ্রমণ 

ডেস্ক প্রতিবেদন: পর্যটকদের পদচারণায়...

বিস্তারিত
ঘুরে আসুন বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর

ডেস্ক প্রতিবেদন: রাজশাহী শহরের...

বিস্তারিত
শামলাপুর সমুদ্র সৈকত ভ্রমণ

ভ্রমন ডেস্ক: কক্সবাজরের টেকনাফের...

বিস্তারিত
টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: দূষণের কারণে...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *