৪ বছরেও বেসিক ব্যাংকের দুর্নীতির তদন্ত শেষ করতে পারেনি দুদক

প্রকাশিত: ১১:০৫, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

আপডেট: ০৫:২৭, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

তাসলিমুল আলম তৌহিদ: বেসিক ব্যাংকের সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা কেলেঙ্কারির তদন্ত কার্যক্রম চার বছরেও শেষ করতে পারেনি দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। তারা বলছে, মামলাগুলো অত্যন্ত জটিল। লোপাট হওয়া অর্থের গন্তব্য বের করতে সময় লাগছে। তবে দ্রুত প্রতিবেদন দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানান দুদক সচিব।

২০০৯ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংক থেকে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে। ব্যাংকটির গুলশান, দিলকুশা ও শান্তিনগর শাখা থেকে ঋণপত্র যাচাই না করে জামানত ছাড়া জাল দলিলে ভুয়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেয়ার অভিযোগ ওঠায় অনুসন্ধানে নামে দুদক।

অনুসন্ধান শেষে ২০১৫ সালে আড়াই হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ৫৬টি মামলা করে দুদক। আসামি করা হয় ১২০ জনকে। এর মধ্যে ঋণ গ্রহীতা আছে ৮২জন। বাকিরা ব্যাংকের কর্মকর্তা ও ভূমি জরিপকারী। তদন্তের দায়িত্ব পালন করছেন দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের দল।

দুদক আইনে সর্বোচ্চ ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র দাখিলের নিয়ম থাকলেও চার বছরেও তা দিতে পারেনি দুদক। এ নিয়ে হাইকোর্ট গত বছর মামলার তদন্ত কর্মকর্তাদের ডেকে ক্ষোভ জানান।

দুদক বলছে, মামলাটি অত্যন্ত জটিল। ব্যাংক থেকে নগদ টাকা তুলে পাচার করা হয়েছে। সেই টাকার গন্তব্য বের করতে দেরি হচ্ছে। যত দ্রুত সম্ভব প্রতিবেদন দাখিলের চেষ্টা চলছে বলে জানান দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

তবে তদন্ত পর্যায়ে আত্মসাত হওয়া অর্থের মধ্যে ২ হাজার ১০ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে জানান দুদক সচিব দিলোয়ার বখ্ত। দেরি হলেও সঠিক তদন্ত করে অভিযুক্তদের চিহ্নিত ও তাদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান তিনি।

 

এই বিভাগের আরো খবর

দুর্নীতির অভিযোগ: ৩ জনকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক: অবৈধ সম্পদ অর্জনের...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *