ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৪ আশ্বিন ১৪২৬

2019-09-19

, ১৯ মহররম ১৪৪১

স্টুডিও ফটোগ্রাফি হারিয়েছে আগের জৌলুস

প্রকাশিত: ০৯:৪৬ , ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ আপডেট: ১২:০৩ , ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯

কাজী বাপ্পা: আশি ও নব্বইয়ের দশকে দেশে জমজমাট স্টুডিও কেন্দ্রিক ফটোগ্রাফি চর্চার আয়োজন ও বাণিজ্য, একবিংশ শতাব্দীতে নতুন প্রযুক্তির প্রভাবে আবেদন হারাতে থাকে। ডিজিটাল ক্যামেরার কারণে পাল্টাতে থাকে চিরাচরিত আলোকচিত্রের অর্থ ও ব্যবহার।      

বিদেশে পাড়ি দিতে প্রয়োজনীয় ছবি ও বিশেষ মুহূর্ত ধারনের সৌখিন চাহিদার খোরাক মেটাতে আশির দশকে দেশে স্টুডিও ফটোগ্রাফির প্রসার ঘটে। সেই দশকের মাঝামাঝি সময় রাজধানীর ইস্কাটনে প্রতিষ্ঠিত হয় পদ্মা স্টুডিও। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি থেকে শুরু করে সব শ্রেনীর মানুষের বিচরণকেন্দ্রে পরিণত হয় স্টুডিওটি।

আঁশির দশকের শুরু থেকে নব্বই দশকের শেষ পর্যন্ত রাজধানী জুড়ে প্রায় পাঁচ হাজার স্টুডিও থাকলেও ছবি ছাপার কালার ল্যাব ছিল হাতে গোনা কয়েকটি। একবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের কারনে ভাটা পড়ে সেই জমপেশ স্টুডিও ব্যবসায়।

একবিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকে দেশের বাজারে সেমি ডিজিটাল ক্যামেরার প্রবেশ ঘটে। অল্প সময়েই সেই জায়গা দখল করে নেয় আরও আধুনিক প্রযুক্তির ডিজিটাল ক্যামেরা, যা ডিএসএলআর নামে বেশি পরিচিত। আরও পরিবর্তনের হাওয়া লাগে আলোকচিত্র বা ফটোগ্রাফির ধারনায়।

বর্তমানে ফটোগ্রাফি স্টুডিওর চার দেয়ালের মধ্যে পাসপোর্ট বা স্ট্যাম্প সাইজের ছবিতে আটকে নেই। ফটো সাংবাদিকতায়ও পুরোনো ধারণার বিদায় ঘটেছে। ফটোগ্রাফির পরিধি, ধরন ও ধারণার ব্যাপ্তি ঘটেছে। বেড়েছে এবং পাল্টেছে ।

এই বিভাগের আরো খবর

চট্টগ্রাম অঞ্চলে সাম্পানের মাঝি হওয়াও ছিল বড় পেশা

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম অঞ্চলের জনপদগুলোতে কৃষিকাজ বা মাছ ধরার পাশাপাশি বড় পেশা ছিল সাম্পানের মাঝি হওয়া। তাই একসময় বিপুল জনগোষ্ঠীর...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is