কালের আবর্তে ফটোগ্রাফি এখন শিল্প

প্রকাশিত: ০৯:২৭, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯

আপডেট: ১১:০৯, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯

কাজী বাপ্পা: জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলো ক্যামেরায় ধরে রাখার প্রচেষ্টায় আলোকচিত্র বা ফটোগ্রাফির উদ্ভব হলেও কালের আবর্তে তা শিল্পের মর্যাদা পায়। এক সময় দেশে ও বিদেশে শুধু দাপ্তরিক কাজে ও সাংবাদিকতায় ফটোগ্রাফির প্রচলন থাকলেও বর্তমানে এর বহুমুখী উপযোগিতা। সখের পাশাপাশি পেশা ও বাণিজ্যেরও বড় খাত। ফটোগ্রাফিকে ঘিরে দেশে ও প্রবাসে সাফল্যগাঁথা বাড়ছে।

আলোকচিত্রের ধারণা ধারনা খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে চীনা দার্শনিক মো স্যুর হাত ধরে বিকশিত হয়। তিনিই প্রথম আলোক ও ক্যামেরা সংক্রান্ত তত্ত্ব আবিস্কার করেন। তখন ক্যামেরা ছিল আলোক নিরোধক কাঠের বাক্স যার একপ্রান্ত পিন দিয়ে ছিদ্র করা। বাক্সের ছিদ্রযুক্ত তলকে আলোকমুখী করে তার সামনে কোন বস্তু এমনভাবে স্থাপন করা হত যেন বস্তুটির ছায়া ছিদ্র দিয়ে প্রবেশ করে বাক্সের বিপরীত তলে প্রতিবিম্বিত হয়। পরবর্তিতে ১৫ খ্রীষ্টাব্দে ইউরোপে রেনেসাঁস ও রেনেসাঁস পরবর্তি সময়ে প্রথম প্রজন্মের পিনহোল ক্যামেরা ও ফটোগ্রাফির ধারনা বিকশিত হলেও ১৯২৭ সালে জোসেফ নিসফোর নিপেস দ্বিতীয় প্রজন্মের পিনহোল ক্যামেরার মাধ্যমে ফটোগ্রাফির সফল প্রয়োগ ঘটান।

ব্রিটিশদের হাত ধরে ১৮৬৪ সালে কলকাতায় গড়ে ওঠে ভারত উপমহাদেশের প্রথম ফটোগ্রাফিক স্টুডিও “বন এন্ড শেফার্ড,” যার কাজ সীমাবদ্ধ ছিল শুধু সরকারি কার্যক্রম এবং ঘটনাবলীর ছবি তোলার মধ্যে। ধীরে ধীরে এই উপমহাদেশে স্টুডিও ও ফটোগ্রাফির প্রসার ঘটতে থাকলেও প্রায় ৯০ বছর পর পঞ্চাশের দশকের শুরুর দিকে আলোকচিত্রী গোলাম কাশেম ড্যাডির হাত ধরে তৎকালীন পূর্বপাকিস্তান অর্থাৎ বাংলাদেশে সখের ফটোগ্রাফি চর্চা কেন্দ্র “ট্রপিক্যাল ইনিস্টিটিউট অব ফটোগ্রাফি” প্রতিষ্ঠিত হয়। আলোকচিত্রাচার্য মঞ্জুর আলম বেগ ১৯৬০ সালে বেগার্ট ইনিস্টিটিউট অব ফটোগ্রাফি প্রতিষ্ঠার মধ্যে দিয়ে ফটোগ্রাফির সেই ধারাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যান।

স্বাধীনতার পর দেশে ফটোগ্রাফির পেশাগত ব্যবহার শুধুমাত্র সাংবাদিকতায় ছিল। সে সময় জীবনের বিশেষ স্মৃতি ধরে রাখতে মানুষকে ছুটতে হত বাণিজ্যিক স্টুডিওতে। সেই ধারাবাহিকতায় আশির দশকে দেশে স্টুডিও ফটোগ্রাফির ব্যাপক প্রসার ঘটে।

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *