কাঠের কাজ শেখায় অনাগ্রহী নতুন প্রজন্ম

প্রকাশিত: ০৯:৩৯, ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

আপডেট: ০১:১০, ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: মানুষের আধুনিকায়ন ও উদ্ভাবনের নেশা কাঠের ব্যবহারে বৈচিত্র্য আনলেও অনেক কিছুর চাহিদাকে বিলুপ্ত করেছে। যেমন কাঠের খেলনা, প্রতিমা, নকশা করা ঢেকি, পালকি, সিন্দুক, ঘর ও বেড়াসহ নকশা খচিত শিল্পকর্ম এখন বিরল। বংশ পরম্পরায় কিছু কিছু কাজ দেশে এখনও হয়। তবে নতুন প্রজন্ম কাঠের কাজ শেখায় অনাগ্রহী হওয়ায় ধারাবাহিকতা রক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে। 

কাঠের টুপি, চশমা, জুতা ব্যবহারকারী এই ব্যক্তির নাম নজরুল ইসলাম। বলতে গেলে জীবনের প্রায় পুরো সময়টাই কাজে লাগিয়েছেন বিভিন্ন শিল্প কর্মের মধ্যে। হাতে কলমে কোন প্রশিক্ষণ না থাকলেও শুধু সাদা চোখে দেখেই কাঠ খোদাই করে বানাতে পারেন সেই ধরনের জিনিস। শুরুতে মাটি দিয়ে পশু-পাখি, ঘর-বাড়ি, খেলনা তৈরি করতেন। পরে এক বন্ধুর পরামর্শে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে কাজ করা শুরু করেন। 

এখন পর্যন্ত কাঠ খোদাই করে বঙ্গবন্ধু ও লালন শাহের মূর্তি বানিয়েছেন তিনি। এছাড়া বিভিন্ন দেশের নানান ধরনের নৌকা, নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ, সাব মেরিন, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার কাঠের মডেল তৈরী করেছেন ৬১ বছর বয়সি এই দারু শিল্পি। এই কাজে যা আয় হয় তাতে কোন রকমে জীবন কাটে তাঁর।  

নজরুল ইসলামের দুঃখ, নিজের সন্তানদেরকে এই শিল্প কর্ম শেখানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন। আরও  অনেককেই দারু শিল্পের দিক্ষা দেয়ার চেষ্টাও তার বিফলে গেছে। তাঁর ছেলে তোফাজ্জাল হোসেন জানান, বাবার কাজ ভাল লাগলেও কেন তার নিজের এই কাজে যুক্ত হবার কোন আগ্রহ নেই। 

এ খাতকে উৎসাহিকত করতে দারু শিল্পীদের যথাযথ পারশ্রিমিক নিশ্চিত করা যেমন জরুরি তেমনি এই শিল্পের বাণিজ্যিক প্রসার প্রয়োজন। অন্যথায় এসব ঐতিহ্যকে রক্ষা করা দূর ভবিষ্যতে আর সম্ভব নাও হতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। 
 

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *