ঢাকা, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩ আশ্বিন ১৪২৬

2019-09-18

, ১৮ মহররম ১৪৪১

অধ্যাপক মোজাফফরের মরদেহে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

প্রকাশিত: ১১:২৭ , ২৪ আগস্ট ২০১৯ আপডেট: ০১:৪৬ , ২৪ আগস্ট ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) একাংশের সভাপতি প্রবীণ রাজনীতিবিদ অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (২৪ আগস্ট) বেলা সোয়া ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে তার মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

এ সময় জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীও অধ্যাপক মোজাফফরে মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এর আগে সেখানে তাকে গার্ড অফ অনার ও প্রথম নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।

তার জানাযা পড়ান জাতীয় সংসদ ভবন মসজিদের ইমাম মাওলানা ক্বারী মো. সাইফুল্লাহ।

জানাজায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, সিপিবি নেতা মুজাহিদুল ইসলাম, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

এ সময় ন্যাপের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের জীবন বৃত্তান্ত পাঠ করেন।

গত শুক্রবার (২৩ আগস্ট) রাত পৌনে ৮টার দিকে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৯৭ বছর বয়সী এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ।

তার মৃত্যুর পর রাতে দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন জানান, বেলা ১১টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রথম জানাজা ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বেলা সাড়ে ১১টায় ন্যাপ অফিসে তাকে শ্রদ্ধা জানানো হবে। এরপর বেলা ১২টায় তাকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়া হবে, সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বাদ যোহর বায়তুল মোকাররম মসজিদে তার দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এর পরদিন কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা নিজ গ্রামে অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের দাফন সম্পন্ন করা হবে।

অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। এছাড়া ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতাযুদ্ধে তার ভূমিকা অবিস্মরণীয়। তার জন্ম ১৯২২ সালে। ১৯৩৭ সালে রাজনীতিতে অংশ নেন। এই রাজনীতি করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে মোজাফফর আহমদ দেবীদ্বার থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। তদানীন্তন মুসলিম লীগের শিক্ষামন্ত্রী মফিজুল ইসলামকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে নজির সৃষ্টি করেছিলেন তিনি।

১৯৬৮ সালে ন্যাপ দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। একভাগ মাওলানা ভাসানীর সঙ্গে থাকলেও অন্য অংশ অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের নেতৃত্বে আলাদা হয়ে যায়।

এই বিভাগের আরো খবর

মেট্রোরেলের নিরাপত্তায় আলাদা পুলিশ চান প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: মেট্রোরেলের নিরাপত্তার জন্য আলাদা পুলিশ ইউনিট গঠন করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) গণভবনে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is