ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৪ আশ্বিন ১৪২৬

2019-09-19

, ১৯ মহররম ১৪৪১

মিল্ক ভিটার ৪ হাজার একর জমি বেহাত

প্রকাশিত: ০৭:২২ , ২০ আগস্ট ২০১৯ আপডেট: ০৭:২২ , ২০ আগস্ট ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেডকে (মিল্ক ভিটা) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বরাদ্দ দেওয়া চার হাজার একর গো-চারণ ভূমির বেহাত হয়ে গেছে। বেহাত হওয়া এসব জমি দীর্ঘদিনেও উদ্ধার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সংসদীয় কমিটি। পাবনা ও সিরাজগঞ্জে পাঁচ হাজার একর জমি বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল।  

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে মিল্ক ভিটার চেয়ারম্যান শেখ নাদির হোসেন লিপু উপস্থিত না থাকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিটি।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি আ স ম ফিরোজ বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মিল্ক ভিটাকে পাঁচ হাজার একর জমি বরাদ্দ দেন। বেহাত হতে হতে এখন মিল্ক ভিটার হাতে আছে এক হাজার একরের মত জমি।

তিনি বলেন, “মিল্ক ভিটার কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশে বিভিন্ন সময়ে অসাধু লোকজন জমি বরাদ্দ দিয়ে দখল করেছে। অনেকক্ষেত্রে ভুয়া কাগজ দেখিয়ে জমি দখল করেছে। এই জমি উদ্ধারে মিল্ক ভিটা কখনও আইনি লড়াইয়ে যায়নি। কমিটি এই জমি উদ্ধারে মিল্কভিটাকে ব্যবস্থা নিতে বলেছে বলেও জানান তিনি।

বৈঠকে মিল্ক ভিটার পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের পাস্তুরিত দুধে সহনীয় মাত্রার চেয়ে কম সীসা রয়েছে। এসময় মিল্ক ভিটা কয়েকটি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন তুলে ধরে। বৈঠকে সঠিক মান বজায় রেখে সীসা, ব্যাকটেরিয়া ও অ্যান্টিবায়োটিকের মত ক্ষতিকারক উপাদানমুক্ত পণ্য উৎপাদনের সুপারিশ করা হয়।

এসময় আ স ম ফিরোজ বলেন, “মিল্ক ভিটার দুধে যেটুকু সীসা পাওয়া গেছে তা পানি থেকে গবাদি পশুর শরীরে গেছে। আমরা এ বিষয়ে মিল্কভিটা কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকার সুপারিশ করেছি।”

বৈঠকে মিল্ক ভিটার আয়-ব্যয় ও মুনাফা নিয়ে আলোচনা হয়। কমিটি বার্ষিক দুধ উৎপাদন তিন লাখ লিটারে উন্নীত করার সুপারিশ করে।

কমিটির সভাপতি বলেন, “২০০৭-০৮ অর্থবছরে মিল্ক ভিটার মুনাফা হয়েছিল ১১ কোটি এবং ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ছিল ১২ কোটি। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে লাভ হয়েছে তিন কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা যায়, গত বছর ‘মিল্ক ভিটার দুরাবস্থা’ ঠেকাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ১৪ দফা সুপারিশ করে।

আ স ম ফিরোজের সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নেন কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, ওমর ফারুক চৌধুরী, ইসমাত আরা সাদেক, নারায়ন চন্দ্র চন্দ, মাহবুব উল আলম হানিফ, মির্জা আজম, মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এবং জিল্লুল হাকিম।
 

এই বিভাগের আরো খবর

৪ বছরেও বেসিক ব্যাংকের দুর্নীতির তদন্ত শেষ করতে পারেনি দুদক

তাসলিমুল আলম তৌহিদ: বেসিক ব্যাংকের সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা কেলেঙ্কারির তদন্ত কার্যক্রম চার বছরেও শেষ করতে পারেনি দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is