নদী ভাঙ্গনে বিলিন গাইবান্ধার কয়েকশ’ স্থাপনা

প্রকাশিত: ১১:৪৫, ১৯ আগস্ট ২০১৯

আপডেট: ০১:২৯, ১৯ আগস্ট ২০১৯

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধায় তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের তীব্র ভাঙ্গনে বিলিন হয়ে যাচ্ছে কয়েকটি উপজেলার বিস্তীর্ন এলাকা। এক সপ্তাহের মধ্যেই নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে বিদ্যালয় ও মসজিদসহ কয়েকশ’ স্থাপনা। আতঙ্কে দিন কাটছে লাখো মানুষের। ভাঙ্গন প্রতিরোধে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানালেন তারা।

এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে দু’টি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা।

তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে গাইবান্ধা সদর, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার শত শত বাড়িঘর, ফসলি জমি ও স্থাপনা। বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সদর উপজেলার কামরজানির গোঘাট এবং কুন্দেরপাড়া, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাশিয়া, ভাটি কাপাশিয়া, লালচামার ও উজান বুড়াইল এবং ফুলছড়ি উপজেলার কেতকির হাট ও বরমতাল।

কয়েকদিনের ব্যবধানে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে এসব উপজেলার প্রায় ১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ ও মাদ্রাসাসহ কয়েক শ’ স্থাপনা। ভাঙ্গনে দিশেহারা কয়েক হাজার পরিবার। সংকটের স্থায়ী সমাধানের দাবি জানালেন তারা।

ভাঙন প্রতিরোধে প্রাথমিকভাবে কাজ চলছে উল্লেখ করে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোকলেছুর রহমান জানান, এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য দুটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

ভাঙনের কবল থেকে বাঁচতে দ্রুত এসব প্রকল্পের বাস্তবায়নের দাবি নদী তীরবর্তী মানুষের।

এই বিভাগের আরো খবর

রাস্তায় গাড়ি চালাতে বাধা, চালককে মারধর

অনলাইন ডেস্ক: ধর্মঘট না মেনে সড়কে...

বিস্তারিত
বায়ু দূষণে ঢাকা বিশ্বে দ্বিতীয়

নিজস্ব প্রতিবেদক: বছরজুড়েই ঢাকার...

বিস্তারিত
আজও কয়েকটি জেলায় অঘোষিত পরিবহন ধর্মঘট

অনলাইন ডেস্ক: নতুন সড়ক পরিবহন আইন...

বিস্তারিত
খুলনা-কুষ্টিয়া রুটে বাস চলাচল বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক: নতুন সড়ক পরিবহন আইন...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *