ঘুষ লেনদেনের মামলায় বাছির কারাগারে

প্রকাশিত: ০২:১৩, ২৩ জুলাই ২০১৯

আপডেট: ১০:৪৩, ২৩ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: অবৈধভাবে তথ্য পাচার ও ডিআইজি মিজানের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দুর্নীতি দমন কমিশনের বরখাস্ত হওয়া পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিকালে তাকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা। অপরদিকে তার আইনজীবীরা বাছিরের জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ এনামুল বাছিরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে বেলা ২টার দিকে বাছিরকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা আদালতে বলেন, এনামুল বাছির দেশ থেকে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। এছাড়া মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত বিনষ্ট করার হীন চেষ্টাসহ সাক্ষীদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিলেন। তাকে জামিন দেওয়া হলে মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত বিনষ্ট করতে পারেন এবং তদন্তকাজে ব্যাঘাত ঘটাতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, অবৈধ পন্থায় অর্জিত ৪০ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে গ্রহণ করে ওই টাকার অবস্থান গোপন করে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় আসামি বাছিরের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠনোর আবেদন জানাচ্ছি।

এর আগে সোমবার রাত ১০টা ২০ মিনিটে রাজধানীর দারুস সালাম থেকে বাছিরকে গ্রেফতার করা হয়।

গত ২১ জুলাই পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখান ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ।

১৬ জুলাই দুদক পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা ঢাকার এক নম্বর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে ডিআইজি মিজানুর রহমান ও দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ ওঠার পর দুই প্রতিষ্ঠান থেকেই ডিআইজি মিজান ও এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে রেহাই পেতে দুদকের পরিচালক এনামুল বাছিরকে ৪০ লাখ টাক ঘুষ দিয়েছেন বলে গত মাসের শুরুতে অভিযোগ করেন ডিআইজি মিজান। অভিযোগটি অস্বীকার করে বাছির দাবি করেন, তার কণ্ঠ নকল করে ডিআইজি মিজান কিছু ‘বানোয়াট’ রেকর্ড একটি টেলিভিশনকে সরবরাহ করেছেন।

অভিযোগ ওঠার পর গত ১২ জুন বাছিরকে সরিয়ে দুদকের আরেক পরিচালক মো. মঞ্জুর মোরশেদকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়। ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ফানাফিল্যাকে প্রধান করে তিন সদস্যের দলকে অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়া হয়।

এই বিভাগের আরো খবর

সাবেক এমপি শামসুল হককে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক: অবৈধ সম্পদ অর্জনের...

বিস্তারিত
যন্ত্রপাতি কেনার নামে শত কোটি টাকা আত্মসাত

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিরাজগঞ্জ শহীদ এম...

বিস্তারিত
পর্দা কেনায় দুর্নীতি; ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ফরিদপুর মেডিকেল...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *