এখনো স্মার্টকার্ড পায়নি ৬ কোটি নাগরিক

প্রকাশিত: ১০:১৭, ২৩ জুলাই ২০১৯

আপডেট: ০৬:০৫, ২৩ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক:  দেশের ৬ কোটি নাগরিক এখনো নির্বাচন কমিশনের স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র পায়নি। দেড় লাখ পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধনের আবেদন এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। অথচ এসব কাজে সরাসরি যুক্ত কর্মীরা যে প্রকল্পের আওতায়, সেই প্রকল্পের অস্তিত্ব নিয়েই অনিশ্চয়তা আছে। এই বাস্তবতা জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত সেবাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

ভোটার তালিকা হালনাগাদ, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধন, স্মার্ট কার্ড ছাপা ও নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় কাজ করে আসছে প্রায় দেড় হাজার কর্মী। বিগত ৮ বছরে তাদের কারিগরি দক্ষতা তৈরি হয়েছে এই কাজে। তারা নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয়পত্র শাখার আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম ফর এনহ্যান্সিং একসেস টু সার্ভিসেস-আইডিয়া প্রকল্পের আওতায় কাজ করছে ২০১১ সাল থেকে। এই প্রকল্প পাঁচ বছরের হলেও পরে কয়েক ধাপে মেয়াদ বেড়েছে। এ বছরের জুনে শেষ হবার কথা ছিল মেয়াদ। তবে আবার বেড়েছে।

এই প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ নিয়ে তৈরি হয় অনিশ্চয়তা। যা কর্মীদের কাজের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চিত করে। প্রকল্পের কর্মীদের রাজস্বখাতে নেয়ার আশ্বাস দেয়া হয় কখনও কখনও,  কিন্তু তা আলোর মুখ দেখে না। অনিশ্চয়তায় থাকা কর্মীরা তাদের উদ্বেগ জানান কর্তৃপক্ষকে।  

সম্প্রতি নতুন দায়িত্বে যাওয়া সাবেক নির্বাচন কমিশন সচিব স্পষ্টই জানান, আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া এই কর্মীদের চাকুরির মেয়াদ শেষ হবে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেই।

প্রকল্পটি নিয়ে অনিশ্চয়তা কর্মীদের ভবিষৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ফেলছে বারবার। সংশ্লিষ্ট অনেকের পরামর্শ, এই জনবল জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত সেবার কাজে ইতিমধ্যে দক্ষ। তাদের ছেড়ে না দিয়ে কিভাবে ধরে,রেখে ভবিষ্যতের কাজে লাগানো যায়, সেই উপায় বের করলে সব পক্ষই লাভবান হবে।

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *