ঢাকা, বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

2019-08-20

, ১৮ জিলহজ্জ ১৪৪০

সীমান্তে হত্যা কমেছে- সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৬:৫১ , ১১ জুলাই ২০১৯ আপডেট: ০১:১৩ , ১২ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগের তুলনায় সীমান্তে হত্যা অনেকটা কমে এসেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি একথা জানান। ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে অধিবেশনে এ সংক্রান্ত লিখিত প্রশ্নটি উত্থাপন করেন বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ। জবাবে মন্ত্রী আরো জানান, সীমান্তে হত্যা কমে আসছে। ২০০৯ সালে যেখানে হত্যা করা হয়েছিল ৬৬ জন, ২০১৮ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৩ জনে। সরকার কূটনৈতিক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে বিএসএফ একমত পোষণ করে আসছে বলেও জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর গত ১০ বছরে (২০০৯-২০১৮) সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে ২৯৪ জন নিহত হয়েছে। এরমধ্যে ২০০৯ সালে ৬৬ জন, ২০১০ সালে ৫৫ জন, ২০১১ সালে ২৪ জন, ২০১২ সালে ২৪ জন, ২০১৩ সালে ১৮ জন, ২০১৪ সালে ২৪ জন, ২০১৫ সালে ৩৮ জন, ২০১৬ সালে ২৫ জন, ২০১৭ সালে ১৭ জন এবং ২০১৮ সালে ৩ জন।

অসীম কুমার উকিলের (নেত্রকোনা-৩) তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা/আহত/আটক ইত্যাদি নিয়ে প্রতিনিয়ত বিজিবি এবং বিএসএফের বিভিন্ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হয়। এসব পতাকা বৈঠকে সীমান্তের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা ও সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে। পাশাপাশি সরকার ও কূটনৈতিক পর্যায়ে ব্যবস্থা নেয়া হয়। সম্প্রতি সীমান্ত এলাকার জনগণের মধ্যে এবং দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে কনফিডেন্স বিল্ডিংয়ে নানা উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। যা সীমান্ত উত্তেজনা প্রশমনে সহায়ক হবে বলে বিশ্বাস। এছাড়াও দিনে-রাতে সীমান্ত এলাকা নজরদারিতে রাখার জন্য বিজিবি ইউনিটগুলো নিয়মিত টহল দিচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় বিজিবি এবং বিএসএফের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে সে সব স্থানগুলো সমন্বিত টহল কার্যক্রমের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। বিওপি থেকে পার্শ্ববর্তী বিওপির মধ্যবর্তী দূরত্ব কমানোর জন্য ১২৮টি পোস্ট নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া বিজিবি কর্তৃক সীমান্ত এলাকায় সার্ভিলেন্স সিস্টেম স্থাপনের জন্য ৩২৮ কিলোমিটার স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব এলাকায় আধুনিক ক্যামেরাসহ সার্ভিলেন্স সিস্টেম স্থাপন করা হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশিরা যাতে শূন্য লাইন অতিক্রম না করতে পারে সে ব্যাপারে সীমান্তবর্তী এলাকায় চেয়ারম্যান, মেম্বার এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সীমান্তে বসবাসরত জনসাধারণের মাঝে নিয়মিত প্রেষণা প্রদান করে আসছে বিজিবি।’

 

এই বিভাগের আরো খবর

এমপি হিসেবে সালমা চৌধুরীর শপথ

নিজস্ব প্রতিবেদক: সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে শপথ নিলেন আওয়ামী লীগের মনোনীত সালমা চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) স্পিকার ড. শিরীন...

সংসদ ভবনে এরশাদের দ্বিতীয় জানাজা

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় সংসদ ভবনের টানেলে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের দ্বিতীয় নামাজে জানাজা...

নারী-শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে আইন আরো কঠোর হবে : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নারী ও শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণ প্রতিরোধে আইন আরো কঠোর করা হবে। রাতে সংসদের বাজেট...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is