তামাক চাষ পাহাড়ে কৃষি সম্ভাবনার প্রধান অন্তরায়

প্রকাশিত: ১০:৩৪, ০৭ জুলাই ২০১৯

আপডেট: ১২:০৭, ০৭ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: মাত্র ১৬ লাখ জনবসতির পাহাড়ে কৃষি পণ্যের উৎপাদন ক্ষমতা চাহিদার কয়েক গুণ বেশি। পার্বত্য চট্টগ্রামের আবাদ যোগ্য ১২ লাখ ৪০ হাজার হেক্টর জমি পুরোপুরি চাষের আওতায় আনা গেলে এখানকার কৃষি অর্থনীতিতেও বিপ্লব ঘটতে পারে বলে পর্যবেক্ষকদের অভিমত। ক্ষতিকর তামাক চাষ এ সম্ভাবনার প্রধান অন্তরায় মনে করেন অনেকে।

সমতলে পাহাড়ী কৃষি পণ্যের চাহিদা বাড়ায় শহরের অনেক ব্যবসায়ী এখন পার্বত্য চট্টগ্রামমুখী। বিদেশি অনেক অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান ও পাহাড়ে কৃষিপণ্য উৎপাদনের জন্য নামমাত্র সুদে মোটা অংকের  ঋণ নিয়ে আসছে। বেশ কিছু বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য উৎপাদনে ছুটছে পাহাড়ে।

পাহাড়ের কৃষিপণ্য বিদেশেও যাচ্ছে। তবে বাম্পার ফলনের মৌসুমে পণ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় বিপাকে পড়ছেন ক্ষুদ্র চাষী ও ব্যবসায়ীরা। অনেক ফসল নষ্ট হচ্ছে মাঠেই ।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ বলছে পাহাড়ে উচ্চ ফলনের জন্য ইতোমধ্যে তারা সক্রিয়, শুরু হয়েছে গবেষণা।

পাহাড়ের উর্বর কৃষি জমিতে ক্ষতিকর তামাক চাষকে অন্তরায় হিসেবে দেখছেন অনেকে। আড়াই হাজার হেক্টর জমিতে ৭ হাজার কৃষক জড়িয়ে পড়েছে তামাক চাষে। সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো দাদন দিয়ে ও বিভিন্ন মাধ্যমে অর্থলগ্নি করে তামাক উৎপাদন করছে। একদিকে উর্বরতা হারাচ্ছে চাষের জমি অন্যদিকে তামাক প্রক্রিয়াজাত করতে প্রতিবছর  ৬০ থেকে ৭০ হাজার টন কাঠ পোড়ানো হচ্ছে। ফলে উজাড় হচ্ছে বনভূমিও।

পর্যবেক্ষকদের মতে, সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় পরিকল্পিত কৃষিকাজ হলে পাহাড়ী অঞ্চল থেকে কৃষি পণ্যের চাহিদার বড় অংশ যোগান দেয়া সম্ভব হবে। পাওয়া যাবে জীবনরক্ষাকারী ঔষধ তৈরির প্রাকৃতিক উপাদান। পাহাড়ের কৃষি হতে পারে দেশের অর্থনীতির অন্যতম অংশীদার ।

 

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *