দেশে ৯০ রকমের সবজির বাণিজ্যিক চাষ

প্রকাশিত: ০৯:০২, ০৬ জুলাই ২০১৯

আপডেট: ০২:৪৫, ০৬ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাড়ে সাত কোটি থেকে বেড়ে ৪৮ বছরে দেশে মানুষ হয়েছে ১৬ কোটি। ছোট্ট দেশে এতো মানুষের খেয়ে-বেঁচে থাকার সবচে বড় সম্বল কৃষি। তাই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার সাথে পাল্লা দিয়ে এগুতে হচ্ছে কৃষিকে; যেন প্রতিদিন বিপ্লব করার পরীক্ষা, যার বিপ্লবীরা কৃষক। কৃষিতে চমক জাগানো নানা অগ্রগতির উল্টো পিঠে আছে দুঃখ-গাঁথা আর ভবিষ্যতের সম্ভাবনা ও সংগ্রামের কথা।

দেশে সবজির চাষ এক সময় মূলত পরিবার কেন্দ্রিক ছিল। বাড়ির কর্তা ও গৃহিনীরাই বাড়ির আঙিনা ও চারপাশে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজির লাগাতো। পরিবার, প্রতিবেশীরা খেতো, বাঁচলে বাজারে স্বল্পমূল্যে বিক্রি করতো।

আশির দশক থেকে পাল্টাতে শুরু করে সবজি চাষের চিত্র। ভাত, ডাল, মাছ মাংসের পাশাপাশি শরীরের পুষ্টির জন্য সবজিও যে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ সেটার প্রয়োজনীতা বুঝতে শুরু করে শহুরে মানুষেরা। সবজির চাহিদা বাড়ে, বাড়তে শুরু করে চাষ এবং উৎপাদন।

দানাদার শস্যের মতো বিগত কয়েক দশকে সবজিরও বাণিজ্যিক চাষ দেশজুড়ে শুরু হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, দেশে ৯০ রকমের সবজির বাণিজ্যিক চাষ হয়, যার ৩০ থেকে ৩৫টি প্রধান।

সবজি চাষেও এসেছে পরিবর্তন। উন্নত জাতের বীজ, সার, আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহারে কৃষকরা বছরজুড়েই উৎপাদন করছে বহু সবজি। কিছু এলাকায় সর্জন ও  ভাসমান পদ্ধতিতে সবজি চাষ শুরু হয়েছে। শহরে হচ্ছে ছাদ কৃষি, যদিও তা সৌখিন।  নতুন ভাবনাও আছে কৃষি গবেষকদের।

কোন সবজি বিলুপ্তি হয়নি বরং যেসব একসময় খাওয়ার চিন্তা করেনি কেউ তা এখন গুরুত্ব দিয়ে চাষ হচ্ছে। আধুনিকায়নের কারণে অনেক মৌসুমী সবজি সারা বছর চাষ হচ্ছে।

উদ্ভিদ বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, দেশে দেড় হাজারের বেশি ঔষধী গাছ থাকলেও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঔষধী গাছ চাষে সাফল্য তোলা যায়নি,  তাই আমদানি নির্ভর।

ঔষধীর ক্ষেত্রেও গুরুত্ব বাড়ছে বলে জানান কৃষি কর্মকর্তা।
    

 

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *