মসলা চাষে বাড়ছে আগ্রহ

প্রকাশিত: ১০:০৬, ০৫ জুলাই ২০১৯

আপডেট: ১২:২৮, ০৫ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে আদা, রসুন, হলুদ ও মরিচ চাষে সাফল্য মিললেও এখনও জিরা, দারুচিনি, লং কিংবা এলাচ জাতীয় মসলার ফলনে তা হয়নি। তবে নতুন গবেষণায় ফলন বৃদ্ধি সরিষা চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়িয়েছে। মসলা ও তেলবীজের ওপর গবেষণা চলছে, বেশ কয়েকটি নতুন জাতও উদ্ভাবন করেছে গবেষকরা।

মসলা ও তেলের ওপর আমদানি নির্ভরতা কমানোর তাগিদ আছে। তাই এসব কৃষি পণ্যের পরিবেশ বান্ধব ও রোগ বালাই সহনশীল জাত আবিস্কারে কাজ করছেন গবেষকরা। দেশে ব্যবহৃত ৪২ টি মসলার ওপর গবেষণা করে ১৮টির ৩৯ রকমের জাত উদ্ভাবন করেছে। তেল বীজ সরিষার এ পর্যন্ত ২২ টি জাত উদ্ভাবিত হয়েছে। মরিচের উদ্ভাবিত জাতের সংখ্যা ১৮টি।

১৯৯৬ সালের আগে দেশে মসলার উৎপাদন ছিল ৩ লাখ মেট্রিকটন। গবেষণায় উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল জাত ও চাষে প্রযুক্তির ব্যবহারসহ নানা সুবিধার কারণে ২০১৫-১৬ সালে মসলার উৎপাদন বেড়ে হয়েছে প্রায় ২৭ লাখ মেট্রিক টন। যা দু’দশকের ব্যবধানে সাড়ে আট গুণ বেশি।

গবেষকরা বলছেন, পেয়াজ, মরিচ, আদা, রসুন, ধনিয়াসহ বেশ কিছু মসলার ফলন দেশে বেশি হলেও  এখনও জিরা, লবঙ্গ, এলাচ, গোলমরিচে সেই সাফল্য নেই। তাই দেশের আবহাওয়া উপযোগী করে এসব মসলা চাষে গবেষণা চলছে।  

একই বাস্তবতা তেলবীজ চাষেও। ফলন ভাল ও চাহিদা থাকায় কৃষকরা দু’মাসী ফসল সরিষা চাষে ঝুঁকছে। কিছু অঞ্চলে চাষ হচ্ছে সয়াবিন। চাষ কমছে তিল, তিসি, সূর্যমুখীর। এক দশক আগেও তৈল বিজ কৃষকরাই সংগ্রহ করতো। তবে ২০১০ সালের পর থেকে উন্নত জাতের বিজ ব্যবহার হচ্ছে, বেড়েছে ফলন। তবে পাম ওয়েলের বাস্তবতা ভিন্ন।  

মসলা ও তেল বীজের বাণিজ্য পর্যায়ে আমদানি নির্ভরতা ও মাঠ পর্যায়ে  চাষীদের বঞ্চনা নিয়ে আছে দুঃখগাঁথা।   

 

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *