দেশে মাত্র ৩৫টি মসলার চাষ, আমদানি নির্ভর

প্রকাশিত: ০৯:৫৫, ০৫ জুলাই ২০১৯

আপডেট: ১২:২৭, ০৫ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাড়ে সাত কোটি থেকে বেড়ে ৪৮ বছরে দেশে মানুষ হয়েছে ১৬ কোটি। ছোট্ট দেশে এতো মানুষের খেয়ে-বেঁচে থাকার সবচে বড় সম্বল কৃষি। তাই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার সাথে পাল্লা দিয়ে এগুতে হচ্ছে কৃষিকে; যেন প্রতিদিন বিপ্লব করার পরীক্ষা, যার বিপ্লবীরা কৃষক। কৃষিতে চমক জাগানো নানা অগ্রগতির উল্টো পিঠে আছে দুঃখ-গাঁথা আর ভবিষ্যতের সম্ভাবনা ও সংগ্রামের কথা।

খ্রিস্টপূর্ব ২ হাজার বছরেরও আগে ভারত উপমহাদেশ, পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশ ও মধ্যপ্রাচ্যে মসলা এবং তেলের প্রচলন ছিল। সে সময় মসলা, খাবার তৈরীর পাশাপাশি রুপ চর্চার উপকরণ, রোগ নিরাময়সহ নানা কাজে ব্যবহৃত হত। এছাড়াও প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মধ্যে বাণিজ্যের প্রথম ও প্রধান পণ্যও ছিল মসলা। মসলাকে কেন্দ্র করে যুগে যুগে অনেক বড় বড় যুদ্ধও হয়েছে। মসলার জন্য প্রথম যুদ্ধ হয় ভারতবর্ষে। পর্তুগিজদের সাথে কালিকটের রাজার এ যুদ্ধ হয়। মসলার খোঁজেই পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামা একদিন ভারতের কেরালা উপকূলে আসেন। যার ফলে এক সময় শেষ হয়ে যায় মসলা নিয়ে আরব বণিকদের একচেটিয়া বাণিজ্য।

প্রাচীনকালে তেল বীজ ও মসলার মধ্যে আদা, রসুন, হলুদ, তেজপাতা, মরিচ, দারুচিনি, সরিষা, তিল, তিশি, চিনা বাদাম হতো। এসব চাষ হতো সনাতন পদ্ধতিতে। দেশে কয়েক দশক আগেও প্রযুক্তিহীন চাষ ছিল, কৃষকরাই বীজ তৈরি ও সংরক্ষণ করতো। ৯০ দশকের পর মসলা চাষেও প্রযুক্তি যুক্ত হয়।

বর্তমান বিশ্বে ১০৯ পদের মসলা পাওয়া যায়। দেশে ৩৫ টি মসলা চাষ হলেও ব্যবহৃত হচ্ছে ৫০টি। ১১ টি ভোজ্য তেলের মধ্যে দেশে চাষ হচ্ছে ৮ টি। সরিষা ও সয়াবিন চাষে জমি বাড়লেও বাড়েনি তিল, তিশি ও চিনা বাদামের চাষ।

দেশে মসলা ও তেলবীজের উৎপাদন বাড়াতে কৃষি গবেষণা ইনিন্টিটিউটে গবেষণা চলছে ৪২ টি পণ্য নিয়ে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *