কৃষকের আগ্রহ কমেছে পাট চাষে, জনপ্রিয় হয়নি তুলাও

প্রকাশিত: ১০:১৭, ০৩ জুলাই ২০১৯

আপডেট: ১২:৫৩, ০৩ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: একদিকে পাট জনপ্রিয়তা হারিয়েছে, অন্য দিকে তুলা এখনও জনপ্রিয় হয়নি কৃষকের কাছে। চাষে আধুনিকায়ন হওয়ায় গত ৪৬ বছরে প্রতি একর জমিতে পাটের উৎপাদন দ্বিগুণ হলেও চাষের জমি সেই হারে বাড়েনি। বরং পাটের সংগ্রাম বেড়েছে নানা বাস্তবতায়। অন্যদিকে, তুলার উৎপাদন গত চার দশকে ৩৬ গুণ বাড়লেও তা দেশে চাহিদার মাত্র ৩ শতাংশ।
    
পাট উৎপাদনে এক সময় বাংলাদেশ ছিল শীর্ষে। ব্রিটিশ শাসন আমলে দেশের পাটের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠে কোলকাতার পাটকলগুলো। ভারত ভেঙে পাকিস্তান হলে দেশের পাট দিয়ে হয় বর্তমান পাকিস্তানে পাটকল। বাংলাদেশের পাট রপ্তানি করে সেই পাকিস্তানের উন্নয়ন করা হত। গবেষকরা মনে করেন, দেশের পাট নিয়ে পাকিস্তানীদের অর্থনৈতিক বৈষম্য তৈরি করা স্বাধীনতা সংগ্রামের পেছেনে বড় ভূমিকা রেখেছে।

স্বাধীনতার পর প্রথম বছরে পাটের উৎপাদন ৪২ লাখ বেল ছিল। মাঝে কমলেও বর্তমানে হয় ৯২ লাখ বেল। পাটের জমি ১৭ লাখ একর ছিল, এখন ১৮ লাখ একর, অর্থ্যাৎ ৪৬ বছরে পাট চাষের  জমি বেড়েছে মাত্র ১ লাখ একর। গত ৪৬ বছরে পাটের উৎপাদন বেড়েছে দ্বিগুন হারে।

১৯৭১-৭২ অর্থ বছরে দেশের ২০ টি জেলায় পাট চাষ হতো, বর্তমানে হয় ৫৩টি জেলায়।

বর্তমানে পাটের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া, চাহিদা কমা, পচানোর জায়গার সংকট আর প¬াস্টিক পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে কৃষকের জন্য পাট উৎপাদন বড় সংগ্রামের হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পাটের মত গত ৪২ বছরে তুলার উৎপাদন বেড়েছে ৩৬ গুন। এই এক টুকরো তথ্য অনেক সাফল্য শোনালেও বাস্তবে চাহিদার তুলানায় এই উৎপাদন নগণ্য। বছরে দেশে তুলার চাহিদা ৮১ লাখ বেল, সেখানে দেশে উৎপাদন হয় মাত্র দেড় লাখ বেলের কিছু বেশি

তুলা চাষ বাড়াতে সরকারের ও গবেষকদের যেমন জোড়ালো পদক্ষেপ দরকার তেমনি তুলা চাষীদের সেখোনে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশি¬ষ্টরা।

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *