ধানের উচ্চ উৎপাদন সত্ত্বেও চাল রপ্তানিতে যেতে পারেনি বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১০:৩১, ০২ জুলাই ২০১৯

আপডেট: ০২:০১, ০২ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : গেলো কয়েকবছরে চাহিদার চেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হলেও এখনও চাল রপ্তানিতে যেতে পারেনি বাংলাদেশ। বাম্পার ফলনে খুশির বদলে লোকসানে দেশের কৃষকের মুখ বেজাড়। সরকারি ধান-চাল সংগ্রহে জটিলতা, মিল মালিক ও  মধ্যস্বত্তভোগীদের দৌরাত্ম্যে অস্থিরতা কৃষকদের মাঝে। 

এখন উৎপাদিত ধানের ৫০ ভাগের বেশি বোরো, ৪০ ভাগের উপরে আমন বাকিটা আউশ মৌসুমে পাওয়া যায়। সত্তর দশকের শেষে এই চিত্রটা ছিল উল্টো। ৫৮ ভাগ আমন, ২৩ ভাগ আউস এবং ১৯ ভাগ বোরো থেকে আসতো। ১৯৭১-৭২ সালে ধানের উৎপাদন ছিল ১০ মিলিয়ন মেট্রিক টন। বর্তমানে হয় ৩৬ মিলিয়ন।

ধানে ধারাবাহিক বাম্পার ফলন হচ্ছে। আমনের পর বোরো মৌসুমেও এবার উৎপাদন বেড়েছে। ফলন দেখে কৃষকের মুখে হাসি ফুটলেও তা দ্রুত মিলিয়ে যায়। কারণ বাজারে ধানের দাম কম, গড়ে মণ প্রতি ৪০০-৫৫০টাকা, যা খরচের অর্ধেক। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের কৃষি অর্থনীতি বিভাগের তথ্যমতে ধানে কেজি প্রতি এখন উৎপাদন ব্যয় প্রায় ২৫ টাকা। 

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, এবছর ধান কাটায় মাঠে ছিল হাহাকার। ধানের কদর বাজারে কম কিন্তু ধান কাটাার শ্রমিকের মূল্য আকাশ ছোঁয়া। মৌসুমি এসব শ্রমিকের আছে নিজস্ব ব্যাখ্যা।

মহাজনদের ঋণের চাপ থাকে কৃষকের ঘাড়ে। তড়িঘড়ি করে ধান বিক্রি করতে গিয়ে কৃষকদের অর্ধেক দামে বেচতে হয় ধান। দাম কম হওয়ার পেছনে মজুদদার ও মিল মালিকদের কারসাজি দেখেন কৃষক ও বিশেষজ্ঞরা। আর মিল মালিকরা দুষছেন ধান সংগ্রহে আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকে।  

কৃষকের জন্য সংকট পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে আবাদি জমি থাকলেও ফসল থাকবেনা একসময় মাঠেÑ এমন শংকা সংশ্লিষ্টদের। কৃষক ও কৃষিকে বাঁচাতে বাস্তবমুখী কর্মসূচি হাতে নেয়ার তাগিদ দিচ্ছেন  বিশেষজ্ঞরা।
 

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *